ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে ‘অচেনা মুখ’

ঢাকা, সোমবার   ৩০ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৩ রবিউস সানি ১৪৪২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির আহ্বায়ক কমিটিতে ‘অচেনা মুখ’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৮ ২০ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৮:৩৫ ২০ নভেম্বর ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সম্প্রতি জেলা বিএনপির ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কমিটিতে দলের যোগ্য নেতাদের বঞ্চিত করে স্থান দেয়া হয়েছে বেশ কয়েকজন ‘বিদেশ ফেরত-অচেনা মুখ’কে। এ কমিটিকে ‘পুতুল কমিটি’ আখ্যা দিয়েছেন দলের ত্যাগী নেতা-কর্মীরা।

জানা গেছে, একজন বছরের পর বছর বিদেশ থেকে হঠাৎ দেশে ফিরে আহ্বায়ক কমিটিতে পদ পেয়েছেন। আরো ২-৩ জন আছে যাদের চেনেই না তৃণমূল নেতা-কর্মীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সদর উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন, এটা তো নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের পছন্দের কমিটি হয়েছে। এ কমিটির অনেককেই আমরা চিনি না। জেলার সিনিয়র নেতারা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য আহ্বায়ক কমিটিতে পছন্দের লোক বসিয়েছেন।

জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, এসব নিয়ে বেশি কথা বলতে চাই না। যাকে আহ্বায়ক বানানো হয়েছে- জেলার সিনিয়র নেতাদের ‘হাতের পুতুল’। নেতারা যা বলবে তিনি তাই করবেন, দলের জন্য কিছু করবেন না। এ কমিটিতে অনেক যোগ্য লোক স্থান পায়নি।

১৩ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় বিএনপি। কমিটিতে সদ্য বিলুপ্ত হওয়া জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জিল্লুর রহমান জিল্লুকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা জানান, জিল্লুর রহমান জিল্লুকে তৃণমূলের অনেক নেতা-কর্মীই মেনে নিতে পারছে না। ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে অনেক ত্যাগী নেতাকে বাদ দেয়া হয়েছে। আবার এমন লোক নেয়া হয়েছে যাদের কেউ চেনেই না।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি বলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে এ কমিটির অনুমোদন নেয়া হয়েছে। দলের সবাইকে কমিটির সদস্যদের মেনে নিতে হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিএনপির আহ্বায়ক মো. জিল্লুর রহমান বলেন, রাজনীতিতে আমার ৪৫ বছরের ত্যাগ স্বীকারের মূল্যায়ন পেয়েছি। নতুন কমিটিকে নিয়ে দলকে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে নিতে চাই।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/জেডএম