শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে সামুদ্রিক মৎস্য বিল পাস

ঢাকা, বুধবার   ২০ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৬ ১৪২৭,   ০৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

শাস্তি বাড়িয়ে সংসদে সামুদ্রিক মৎস্য বিল পাস

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০০:৩৯ ১৭ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৩:২৬ ১৭ নভেম্বর ২০২০

জাতীয় সংসদ

জাতীয় সংসদ

বিভিন্ন ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা বাড়িয়ে জাতীয় সংসদে মেরিন ফিশারিজ অর্ডিন্যন্সকে বাংলায় নতুন আইন করতে ‘সামুদ্রিক মৎস্য বিল-২০২০’ পাস হয়েছে।

সোমবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলটির উপর দেয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বিলে বলা হয়েছে, কর্তৃত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তাকে বাধা দিলে দুই বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আগের আইনে তিন বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

আর ইচ্ছাকৃতভাবে মৎস্য আহরণের নৌযানের ক্ষতি করলে দুই বছরের জেল এবং ২৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আগে একই অপরাধে তিন বছরের জেল এবং এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

নতুন আইনে বিস্ফোরক ব্যবহার করে, অচেতন বা অক্ষম করে মাছ ধরলে তিন বছরের জেল বা এক কোটি টাকা দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। আগের আইনে এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

বেআইনিভাবে মাছ ধরা, সংরক্ষণ, মজুত বা বিক্রি করলে দুই বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া নৌযান চিহ্নিতকরণে ব্যর্থতা, অর্থাৎ কেউ যদি বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরার নৌযান পরিচালনা এবং তা নির্ধারিত নিয়মে মার্কিং না করে তবে দুই বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আগের আইনে এ অপরাধে ২৫ হাজার টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

পাস হওয়া বিলে নিষিদ্ধ জাল, সরঞ্জাম বা যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে দুই বছরের জেল এবং ২৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলে আরো বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি জাহাজ এ আইনের অধীনে অপরাধ করলে তার মালিক, স্কিপার এবং নৌযানে অবস্থানরত ব্যক্তিরা দায়ী হবেন। এর জন্য তিন বছরের কারাদণ্ড এবং ৫ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএ/এমকেএ/এইচএন