মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যে বেইজিংয়ের ক্ষোভ

ঢাকা, বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৮ ১৪২৭,   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২

রোহিঙ্গা সংকট: মার্কিন উপমন্ত্রীর বক্তব্যে বেইজিংয়ের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০২ ২৫ অক্টোবর ২০২০  

গত ১৫ অক্টোবর ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন বিগান যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। ছবি: সংগৃহীত

গত ১৫ অক্টোবর ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও যুক্তরাষ্ট্রের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন বিগান যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিফেন ই বিগান। সফরে রোহিঙ্গা সংকটসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সমস্যায় চীনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেন তিনি। আর তাতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বেইজিং।

ঢাকার চীনা দূতাবাস জানায়, স্টিফেন ই বিগানের এমন দাবি পুরোপুরি অসঙ্গত যা মোটেই গঠনমূলক নয়। আমাদের সবার প্রত্যাশা ছিল স্টিফেনের এই সফর বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের দিকে আলোকপাত করবে। তবে তিনি ঢাকার সাংবাদিকদের সঙ্গে চীন-ভারত সীমান্তের দ্বন্দ্ব, তাইওয়ান প্রণালীর উত্তেজনা, দক্ষিণ চীন সাগরের সমস্যা এবং হংকংয়ের জাতীয় সুরক্ষা আইনের প্রসঙ্গ টেনে চীনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন।

যেগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্কই নেই। এমন আচরণ কেবল কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মারাত্মক লঙ্ঘনই নয়; বরং বাংলাদেশের জন্যও যথেষ্ট অসম্মানের। স্টিফেনের এই সফরের আয়োজক বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে- সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়। এটিই হওয়া উচিৎ কূটনীতির পথ।

চীনা দূতাবাস জানায়, ২০ অক্টোবরের স্টিফেনের এই মন্তব্যটি বাংলাদেশের গভীর উদ্বেগের বিষয় রোহিঙ্গা সংকটকে অবলম্বন করে চীনের সমালোচনা করা এবং নিজেদের পক্ষপাতিত্ব প্রচার করার চরিত্রের একটি ধারাবাহিকতা মাত্র। 

চীনা দূতাবাস আরো জানায়, যেহেতু আমাদের মধ্যকার সমস্যা সমাধানের জন্য চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রচুর দ্বিপাক্ষিক উপায় রয়েছে, তাই পূর্ব সম্মতি ছাড়া অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষকে টেনে আনা স্টিফেনের উচিত হয়নি। এখানে আমরা উভয় পক্ষই বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্বের জন্য এসেছি তাই পরস্পরের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়ে অপচয় করার মত যথেষ্ট সময় আমাদের নেই।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ