আলুর বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৬ নভেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১২ ১৪২৭,   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪২

আলুর বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে: কৃষিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৭ ২১ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ২১:০৩ ২১ অক্টোবর ২০২০

সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক - পিআইডি

সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক - পিআইডি

সরকারের বেঁধে দেয়া নির্ধারিত ৩৫ টাকা দরে আলু বিক্রি হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে মনিটরিং আরো জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক।

তিনি আরো বলেন, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে বা দুই-একদিনের মধ্যে আমরা বাজার মনিটরিং আরো জোরদার করবো।  

বুধবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

আলুর দাম ৩৫ টাকা বাস্তবায়ন নিয়ে তিনি বলেন, অনেক বছরই আলুর দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা হয়। এটা হলে মানুষ তেমন কিছু মনে করবে না। কিন্তু যদি ৫০/৬০ টাকা হয়ে যায় তাহলে কোনোক্রমেই গ্রহণযোগ্য নয়। ৩৫ টাকা যেন বাস্তবায়ন হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করবো। তবে এক মাসের মধ্যে দাম কমে আসবে।

তিনি বলেন, ৩৫ টাকা মনে হয় ঠিক আছে। দাম নির্ধারণ করা হয়েছে যেহেতু বাজার ঠিক হয়ে যাবে আশা করি। তবে আলু বিক্রিতে বাজার মনিটরিং দুই-একদিনের মধ্যে আরো জোরদার করা হবে।

ভারতের সঙ্গে কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষিতে ভারত অনেক ক্ষেত্রেই আমাদের থেকে এগিয়ে। আমরা তাদের সহযোগিতা নেবো। আমাদের কৃষিখাতে সহযোগিতার অনেক সুযোগ রয়েছে। তারা সেটা জানতে চেয়েছে। বর্তমানে আমাদের অর্থনীতিতে বা জিডিপিতে কৃষির গুরুত্ব কম থাকলেও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাঁচামালের যোগানের জন্য কৃষি সবসময় গুরুত্বপূর্ণ। ভারত কোনো কোনো বিষয়ে টেকনোলজিতে আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। যেমন তুলা বিটি কটন চাষে তারা আমাদের থেকে এগিয়ে আছে। আমরা চাচ্ছি এই বিটি কটন আমাদের দেশে আনতে, কারণ এটা এদেশের আবহাওয়ার জন্য ভালো। এছাড়া ভুট্টাসহ অনেক ফসলের ভালোজাত ভারত থেকে আনার সুযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণে গুরুত্ব দিয়ে অনেক বড় প্রকল্প নিয়েছে। ভারতের বেশকিছু কোম্পানি রয়েছে যারা এক্ষেত্রে সফল। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূত ব্যক্তিগতভাবে চেষ্টা করবেন ভালো কিছু কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে।  বিশেষ করে মোহেন্দ্রকে চেষ্টা করবে বাংলাদেশে নিয়ে আসার জন্য।

পেঁয়াজের বর্তমান ইস্যুতে তিনি বলেন, এখন আবহাওয়া ভালো হচ্ছে। ফলে  তারা আশা করছে যে, আবার পেঁয়াজ রফতানি শুরু করবে। আর আমাদের এলসি করা ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজের বিষয়ে ক্লিয়ার করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে যেকোনো সময় ভারত সেগুলো দিতে চেষ্টা করবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে/টিআরএইচ