‘জীবিত শিশুকে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক’

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১৩ ১৪২৭,   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘জীবিত শিশুকে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:১৮ ১৭ অক্টোবর ২০২০  

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন- ফাইল ফটো

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন- ফাইল ফটো

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে জীবিত নবজাতককে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়ার ঘটনাটি দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, এ ঘটনাটি ‘মিরাকল’। তদন্ত শেষে এ ঘটনায় কারো গাফিলতির প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার ঢামেক হাসপাতালের নিজ কক্ষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এ ঘটনাটিকে দুঃখজনক বলে জানান তিনি।

ঢামেক পরিচালক নাসির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় আমি সকালে চার সদস্যের তদন্ত কমিটির সঙ্গে বসেছিলাম। তাদের কাছেও এ বিষয়ে জানার চেষ্টা করেছি। কি কারণে এমনটি হয়েছে। তবে নবজাতকের জন্মের পর সে কোনো কান্নাকাটি ও নড়চড়া করছিলো না। চিকিৎসকরা তার হার্টবিটও পাচ্ছিলেন না। আমাদের চিকিৎসকরা অনেক চেষ্টা করেছিলো, কিন্তু তার কোনো রেসপন্স পাচ্ছিলো না। তারপর চিকিৎসকরা অক্সিজেন দিয়ে নবজাতকে রেখে দেন। নবজাতককে মৃত ঘোষণা করে ডেথ সার্টিফিকেট দেয়া হয়। এরপরই নবজাতকের বাবা তাকে দাফনের জন্য কবরস্থানে নিয়ে যান।

তিনি বলেন, নবজাতকে এখনো নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (এনআইসিইউ) ভর্তি রয়েছে। তার আগের চাইতে কিছুটা ইমপ্রুভ হচ্ছে। এক কেজি ওজনের কম নবজাতকটির জন্ম হয়েছে। এজন্য তার অনেক কিছুই ডেভেলপমেন্ট হয়নি।

ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক বলেন, ঘটনাটি দুঃখজনক। সমস্যাটা কোথায় ছিলো সেটি বের করার জন্যই তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটি আজকেও আমার সঙ্গে বসেছে। কেনো এমন ঘটনা হলো তা বের করা হবে। আর এ ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না ঘটে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হবে। ঘটনাটি মিরাকল। মেডিকেল সাইন্সে এমন ঘটনা হতেই পারে, অনেক জায়গায়ই হয়েছে। তবে আমরা দেখবো কারো কোনো অবহেলা ছিলো কি না। এর আগেও আমাদের এখানে এমন একটি ঘটনা ঘটে ছিলো। সেই ঘটনায় ওই চিকিৎসককে আমরা আর এখানে ট্রেনিং দেয়নি। এক পর্যায়ে তিনি দেশের বাইরে চলে গেছেন। তবে এটি ইচ্ছা করে কেউ করেনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআরকে