দিনভর চাঙ্গা নৌকা, মাঠে ছিল না ধানের শীষ

ঢাকা, মঙ্গলবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২০,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৭,   ১৪ রবিউস সানি ১৪৪২

দিনভর চাঙ্গা নৌকা, মাঠে ছিল না ধানের শীষ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:২৭ ১৭ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৭:৩২ ১৭ অক্টোবর ২০২০

ঢাকা-৫ আসনে উপ-নির্বাচন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঢাকা-৫ আসনে উপ-নির্বাচন। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঢাকা-৫ আসনে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে দিনভর নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক সমাগম দেখা গেলেও মাঠে ছিল না ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকরা।

শনিবার সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনের উপ-নির্বাচনে ছয় প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও মূল লড়াই নৌকা এবং ধানের শীষের মধ্যে।

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকরা কেন্দ্রের বাইরে অবস্থান নেন। ভোটারদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতাও করেন তারা। কেন্দ্রেও ছিল নৌকা প্রতীকের এজেন্ট। তবে মাঠে কিংবা কেন্দ্রে, ধানের শীষের কর্মী-সমর্থকদের তেমন কোথাও দেখা যায়নি। অধিকাংশ কেন্দ্রেই ছিল না কোনো এজেন্ট। 

সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ভোটারের সংখ্যা খুবই কম দেখা গেছে। ভোটারদের অনুপস্থিতির কারণে অনেক কেন্দ্রে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের অলস সময়ও কাটাতে দেখা গেছে। 

সকাল ১০টায় ঢাকা আইডিয়াল স্কুলে ভোটকেন্দ্রে ভোট দেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী মো. কাজী মনিরুল ইসলাম মনু। এরপর আমুলিয়া মাদরাসার ভোটকেন্দ্রে পরিদর্শন করেন তিনি। কাজী মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ভোট অত্যন্ত সুষ্ঠু হচ্ছে।

বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, সালাউদ্দিন আহমেদ শুরু থেকে অভিযোগ করে যাচ্ছেন। তার নাকি কোনো ব্যানার, ফেস্টুন নেই, নেই কোনো প্রচারণা। তিনি নালিশ পার্টির লোক। শুধু নালিশ করেই যাচ্ছে। এটা তাদের নির্বাচনী কৌশল।

ঢাকা-৫ আসনে ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭১ হাজার ১২৯ জন; যার মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৪ ও নারী ২ লাখ ২৯ হাজার ৬৬৫ জন। এ আসনে ১৮৭ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়েছে। 

প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যারা

আওয়ামী লীগের কাজী মনিরুল ইসলাম, বিএনপির সালাহ্‌ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পার্টির মীর আব্দুস সবুর, গণফ্রন্টের এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আনছার রহমান শিকদার ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আরিফুর রহমান। 

আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে গত ১৫ অক্টোবর থেকে দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আগামী ১৯ অক্টোবর ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে, গত ৬ মে হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য হয়। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬০, ৬১, ৬২, ৬৪, ৬৫, ৬৬, ৬৭, ৬৮, ৬৯ ও ৭০ নম্বর ওয়ার্ড (ডেমরা ও মতিঝিল) নিয়ে এ আসন গঠিত।

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএইচআর/আরএইচ