ভ্যাকসিন পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১০ ১৪২৭,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ভ্যাকসিন পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৫৭ ১ অক্টোবর ২০২০   আপডেট: ১৬:৩১ ১ অক্টোবর ২০২০

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক-ফাইল ছবি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক-ফাইল ছবি

সঠিক সময়ে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ দাবি করেন। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ে একেবারে মাঠপর্যায় পর্যন্ত সব ব্যক্তিরা কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আমাদের দেশে মৃত্যুর হার অন্য দেশের তুলনায় কম।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই, কোভিড থেকে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্ব মুক্তি পাবে। সে জন্য ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি যেন সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন পাই।

তিনি আরো বলেন, করোনায় আমরা অন্যান্য কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছি। স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সব কার্যক্রম সঠিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছি। গত সাত মাস আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দিনরাত কাজ করেছে।

এদিকে আগামী ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন চলবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময়ের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের সব শিশুকেই ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

মন্ত্রী জানান, এ প্লাস ক্যাম্পেইনের জন্য ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এরমধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা ১ কোটি ৯৩ লাখ। ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সর্বমোট কেন্দ্র ১ লাখ ২০ হাজার, স্বাস্থ্যসেবী প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার এবং স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার।

তিনি জানান, কোভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকরা অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে। আশা করি, কোনো শিশু টিকা খাওয়ায় বাদ পড়বে না, বাদ পড়লেও তাদের পরে খাওয়ানো হবে। তবে কোনো শিশু অসুস্থ থাকলে ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না, পরে শিশু সুস্থ হলে ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/এসআর