‘ফলন বাড়াতে সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ এখন সময়ের দাবি’

ঢাকা, রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১০ ১৪২৭,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

‘ফলন বাড়াতে সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদ এখন সময়ের দাবি’

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০৬ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ২১:০৬ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

‘ঢাকা অঞ্চলের বর্তমান রোপা আমন আবাদ পরিস্থিতি এবং আগামী বোরো ও রবি মওসুমের প্রস্তুতি’ বিষয়ক কর্মশালায় বক্তরা। ছবি: সংগৃহীত

‘ঢাকা অঞ্চলের বর্তমান রোপা আমন আবাদ পরিস্থিতি এবং আগামী বোরো ও রবি মওসুমের প্রস্তুতি’ বিষয়ক কর্মশালায় বক্তরা। ছবি: সংগৃহীত

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান বলেছেন, ফলন বাড়াতে সমবায়ভিত্তিক (সমলয়ে) চাষাবাদ এখন সময়ের দাবি। এ জন্য ৬৪ জেলায় সমলয়ে চাষাবাদ পদ্ধতি জনপ্রিয় করতে হবে। আর এটি করতে যত রকমের সহযোগিতা প্রয়োজন কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে তা করা হবে।

শনিবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘ঢাকা অঞ্চলের বর্তমান রোপা আমন আবাদ পরিস্থিতি এবং আগামী বোরো ও রবি মওসুমের প্রস্তুতি’ বিষয়ক কর্মশালায় এসব কথা বলেন তিনি।  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

ব্রি-ডিএই অঞ্চলভিত্তিক কর্মশালাগুলো অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে এরইমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি সচিব বলেন, ব্রির ন্যায় বারি, বিনা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উচিত অন্য ফসল প্রযুক্তি নিয়েও অঞ্চলভিত্তিক কর্মশালা আয়োজন করা। এতে বিএডিসি-কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরর ও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের লিংকেজ আরো জোরদার হবে।

তিনি বলেন, হাইব্রিড জাতের আবাদ বাড়াতে হবে। এখন হাইব্রিড ধানের আবাদ এলাকা মাত্র ১০ লাখ হেক্টর। এ টিকে ১২ লাখ হেক্টরে উন্নীত করা কঠিন কাজ নয়। ভবিষ্যতে এটি আরো বাড়াতে হবে। মাঠ পর্যায়ে বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে কৃষি মন্ত্রণালয়। বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা টেকসই করার জন্য এ অঞ্চলের পতিত জমিগুলো চাষাবাদের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. তমাল লতা আদিত্য। কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলে- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (গবেষণা অনুবিভাগ) বলাই কৃষ্ণ হাজরা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পরিচালক (সরেজমিন উইং) কৃষিবিদ ড. মো. আসাদুল্লাহ, ব্রি’র পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. কৃষ্ণ পদ হালদার।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের পক্ষ থেকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্রি’র ফলিত গবেষণা বিভাগের প্রধান ও মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হুমায়ুন কবীর। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পক্ষ থেকে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (ঢাকা অঞ্চল) কৃষিবিদ বিভূতি ভূষণ সরকার।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ