ওসি প্রদীপসহ ৭ জন কারাগারে

ঢাকা, সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১১ ১৪২৭,   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ওসি প্রদীপসহ ৭ জন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:২২ ৬ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১৮:৫৯ ৬ আগস্ট ২০২০

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালতে - সংগৃহীত

টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালতে - সংগৃহীত

পুলিশের গুলিতে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের মৃত্যুর ঘটনায় টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালতে। শেষ মুহূর্তে এ মামলার বাকি দুই আসামি আত্মসমর্পণ করেননি।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তাদের কক্সবাজার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এই রায় দেন।

৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সিনহা রাশেদ খান।

এ ঘটনায় বুধবার কক্সবাজারে টেকনাফ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে ওসি প্রদীপ ও মো. লিয়াকতসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে মামলাটি এফআইআর হিসাবে রুজু এবং র‌্যাব-১৫ কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্র জানায়, আদালতের আদেশ মতে দায়ের করা মামলাটি বুধবার রাতেই টেকনাফ মডেল থানায় নিয়মিত একটি হত্যা মামলা করা হয়। এজাহারভুক্ত ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। বুধবার রাতেই প্রদীপ কুমার দাশকে প্রত্যাহার করা হয়। 

ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা। এ মামলায় নিহত সিনহা রাশেদ খানের সঙ্গী সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ/টিআরএইচ