দ্বিগুণ পরিবহন ভাড়া নিয়ে বিপাকে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৬ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ১১ ১৪২৮,   ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দ্বিগুণ পরিবহন ভাড়া নিয়ে বিপাকে বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা 

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:২৫ ১৩ অক্টোবর ২০২১  

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি)

করোনাকালীন সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া দ্বিগুণ ভাড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) শিক্ষার্থীরা। 

এর আগে গত বছরে করোনাকালীন সময়ে বৃদ্ধি পাওয়া এই অস্বাভাবিক ভাড়া দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলমান রয়েছে। এদিকে গত ১ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় থেকে গণ পরিবহনে স্বাভাবিক ভাড়া নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনার দেড়মাস পার হলেও তার বাস্তবায়নের দেখা মিলছে না গোপালগঞ্জ মহা সড়কে চলমান মাহেন্দ্র, লেগুনাও ইজিবাইকে । 

পূর্বে টুঙ্গিপাড়া থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা থাকলেও বর্তমানে তা ৩৫ টাকায় দাড়িয়েছে। আবার ঘোনাপাড়া থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত ৫ টাকা ভাড়ার জায়গায় বর্তমানে ১০ টাকা করে বৃদ্ধি পেয়েছে । এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শহর পর্যন্ত ১০ টাকার যায়গায় ভাড়া বেড়ে ১৫ টাকা হয়েছে৷ যা ভাড়া হিসেবে প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় বর্তমানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রায়ই পরিবহন চালকদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছে ।

যাত্রী সংখ্যা কম থাকায় এমনটি করছেন বলে দাবি পরিবহন চালকদের। আবার অনেক ক্ষেত্রে তারা যাত্রী সংখ্যা কম উঠানোর দাবি করলেও সরেজমিনে সম্পূর্ণ তার উল্টো চিত্র দেখা যায়। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য নিজস্ব বাস রয়েছে। তাছাড়া আমাদের পরিবহনের সংখ্যা  হিসেবে যাত্রীও কম। এসব বিষয়ে বিবেচনা করেই ভাড়া বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। 

এ বিষয়ে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী দ্বীন ইসলাম বলেন, দীর্ঘ দিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় আমাদের অনেকেরই টিউশন বন্ধ রয়েছে। আবার মেস মালিকরাও তাদের বকেয়া ভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন। এরমধ্যে আবার ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়া সত্যিই আমাদের জন্য বড় বিড়ম্বনা তৈরি হয়েছে। 

আরেক শিক্ষার্থী নাইম ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংখ্যা অনেক হলেও আমাদের হলের সিট অপ্রতুল। তাই ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন এলাকায় থাকতে হয়। তবে বর্তমানে প্রায় দ্বিগুণ ভাড়া হওয়ায় আমরা বেশ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। আশা করি বিশ্ববিদ্যালয়  প্রশাসন দ্রুত বিষয়টি স্থানীয় সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধান করবে। 

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. মোরাদ হোসেন বলেন, ভাড়া বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি শুনেছি। বিষয়টি আসলেই অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। আমরা দ্রুত  উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডএম