রিসোর্ট-স্পা সেন্টারের ভেতরেই গার্লস স্কুল, যেতে হয় একই গেট দিয়ে

ঢাকা, সোমবার   ১৮ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ৩ ১৪২৮,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

রিসোর্ট-স্পা সেন্টারের ভেতরেই গার্লস স্কুল, যেতে হয় একই গেট দিয়ে

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৩০ ১২ অক্টোবর ২০২১  

রিসোর্ট-স্পা সেন্টারের ভেতরেই গার্লস স্কুল, যেতে হয় একই গেট দিয়ে

রিসোর্ট-স্পা সেন্টারের ভেতরেই গার্লস স্কুল, যেতে হয় একই গেট দিয়ে

টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনজর ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট ও স্পা সেন্টারের সীমানার ভেতরেই মার্থা লিডস্ট্রম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। একই গেট ব্যবহার করে একই রাস্তা দিয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা, একই সময়ে স্পা সেন্টারে যাচ্ছেন বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন শিক্ষক-অভিবাবকরা। দ্রুত স্কুলের জন্য আলাদা বাউন্ডারি ও গেট নির্মাণের দাবি তাদের।

জানা গেছে, ১৯৯২ সালে স্থানীয় প্রভাবশালী আখতার হামিদ মাসুদ, তার ছোট ভাই আহসান হাবিব এবং তাদের বন্ধু নরওয়ের এক নাগরিক; তিনজনের অর্থায়নে মার্থা লিডস্ট্রম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। এ স্কুলে দাপনজর ও আশপাশের গ্রামের প্রায় আড়াই শ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। স্কুল নির্মাণের কিছুদিন পরই স্কুলের পাশে বিশাল জায়গা নিয়ে বাণিজ্যিকভাবে ওয়াটার গার্ডেন রিসোর্ট ও স্পা সেন্টার নির্মাণ করেন স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা। গত বছর থেকে রিসোর্ট ও স্পা সেন্টারটি চালু করা হয়েছে। স্কুলের গেট ব্যবহার করেই যেতে হয় সেখানে। 

একই গেট দিয়ে বিভিন্ন স্থানের তরুণ-তরুণী ও প্রবীণ নারী-পুরুষ বিনোদনের জন্য রিসোর্ট ও স্পা সেন্টারে যাচ্ছে। আবার একই সময় স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। এতে অনেক সময় শিক্ষার্থীরা ইভটিজিংসহ নানা রকম বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে। দেখা দিয়েছে অপ্রীতিকর ঘটনার আশঙ্কা। এ কারণে শিক্ষক-অভিভাবকরা দ্রুত স্কুলের বাউন্ডারিসহ পৃথক গেট নির্মাণ করে নিরাপত্তা নিশ্চিতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।

স্থানীয়রা জানায়, রিসোর্ট ও স্পা সেন্টারের মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কিছু বলার সাহস পায় না। রিসোর্ট ও স্পা সেন্টারে আসা বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষের কারণে ঐ স্কুলের শিক্ষার্থীরা পথভ্রষ্ট হতে পারে, ইভটিজিংয়ের শিকার হতে পারে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান দরকার।

এ বিষয়ে মার্থা লিডস্ট্রম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানছির রহমানও হতাশা আর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন।

যত দ্রুত সম্ভব স্কুলের জন্য আলাদা গেট ও বাউন্ডারি তৈরি করতে কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়াসহ প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর