প্রতিদিনের এই অভ্যাসের কারণেই ব্রণ হচ্ছে না তো?

ঢাকা, বুধবার   ২৭ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১৪ ১৪২৭,   ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

প্রতিদিনের এই অভ্যাসের কারণেই ব্রণ হচ্ছে না তো?

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:১৪ ১ ডিসেম্বর ২০২০  

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তৈলাক্ত ত্বক ব্রণপ্রবণ হয়ে থাকে। ব্রণের সবচেয়ে স্পষ্ট কারণগুলোর একটি হলো- ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া। অপরিষ্কার ত্বকের ছিদ্র যা নোংরাতে ভর্তি থাকে। এটি ব্রণের অন্যতম প্রধান কারণ। 

তাই মুখমণ্ডলে ব্রণ এড়াতে ত্বকের ছিদ্রকে বন্ধ করে দেয় এমন অভ্যাসগুলো বর্জন করতে হবে। জেনে নিন আপনার প্রতিদিনের কোন অভ্যাগুলোর কারণে ত্বক ভরে যাচ্ছে ব্রণে-

> ব্যায়াম ও মেকআপ একসঙ্গে যায় না। ব্যায়ামের সময় মেকআপ ত্বকের ছিদ্র বন্ধ করে দেয়। কারণ মেকআপ নিয়ে ব্যায়াম করলে ত্বকের ছিদ্রে ঘাম ও ব্যাকটেরিয়া আটকে থাকে। তাই ত্বকের ছিদ্রকে উন্মুক্ত রেখে ঘাম ঝরাতে ও ব্রণ এড়াতে ব্যায়ামের আগে সব মেকআপ তুলে ফেলুন।

> নিয়মিত এক্সফোলিয়েশন না করলে ত্বকের মৃতকোষ দূর হয় না। এতে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। ত্বকের ছিদ্র খুলতে অথবা উন্মুক্ত রাখতে সপ্তাহে এক-দুই বার কার্যকর স্ক্রাব দিয়ে ত্বককে স্ক্রাব করা প্রয়োজন। এতে ব্রণের প্রবণতা কমে আসবে।

> ত্বকের ছিদ্রকে খোলা রাখতে নন-কমিডোজেনিক মেকআপ ব্যবহার করুন। নন-কমিডোজেনিক প্রোডাক্টের মানে হলো প্রোডাক্টটি ত্বকের ছিদ্রকে বুজে দেবে না। ত্বকের ছিদ্র উন্মুক্ত থাকলে মুখমণ্ডলে ব্রণ বা ব্ল্যাকহেডের প্রবণতাও কমে যাবে।

> বালিশের কভার ও বিছানার চাদর নিয়মিত ধুতে অলসতা কাজ করলে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অপরিষ্কার বালিশের কভার ও বিছানার চাদরে ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য জীবাণু থাকে যা ঘুমানোর সময় সহজে ত্বকে চলে আসতে পারে। ফলে ত্বকের ছিদ্র বুজে যাবে ও প্রতিক্রিয়া হিসেবে ব্রণ ওঠবে।

> আপনি মনে করতে পারেন যে এটা একটি অযৌক্তিক কথা। তবে বাস্তবতা হলো- অপরিষ্কার মোবাইল ফোনের ব্যবহারে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যেতে পারে। ফোনে কথা বলার সময় এসব জীবাণু মুখের সংস্পর্শে চলে আসে। এভাবে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায় ও ব্রণ সৃষ্টি হয়। তাই নিয়মিত অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ওয়াইপ দিয়ে ফোন মুছে নিন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস