বরকত-রুবেল বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ শুনানি ১২ জুন

ঢাকা, শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২,   ১৬ আষাঢ় ১৪২৯,   ০১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

Beximco LPG Gas

দুই হাজার কোটি টাকা পাচার

বরকত-রুবেল বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ শুনানি ১২ জুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৩:৪৭ ১৯ মে ২০২২  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দুই হাজার কোটি টাকা পাচারের মামলায় ফরিদপুরের সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০ এর জজ মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের আদালত এ দিন ধার্য করেন। 

এদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠন শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। তবে তা সম্পূর্ণ না হওয়ায় আদালত অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ১২ জুন দিন ধার্য করেন। 

এর আগে গত ৭ মার্চ আসামিদের নির্দোষ দাবি করে আইনজীবী শাহিনুর রহমান অব্যাহতির আবেদন করেন। এরপর অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। তবে তা শেষ না হওয়ায় অবশিষ্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আদালত দিন ধার্য করেন।

আরো পড়ুন> সাভারে নীলা হত্যা: মিজানুরসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল
 
অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজমুল ইসলাম খন্দকার লেভী, আসিকুর রহমান ফারহান, খন্দোকার মোহতেসাম হোসেন বাবর, এএইচএম ফুয়াদ, ফাহাদ বিন ওয়াজেদ ওরফে ফাহিম, কামরুল হাসান ডেভিড, মুহাম্মদ আলি মিনার ও তারিকুল ইসলাম ওরফে নাসিম। 

২০২১ সালের ৩ মার্চ বরকত ও রুবেলসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার উত্তম কুমার বিশ্বাস আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ঐ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত এ অভিযোগপত্র আমলে গ্রহণ করেন।

২০২০ সালের ২৬ জুন অবৈধ উপায়ে দুই হাজার কোটি টাকা আয় ও পাচারের অভিযোগে বরকত ও তার ভাই রুবেলকে প্রধান আসামি করে ঢাকার কাফরুল থানায় মামলাটি দায়ের করে সিআইডি। ২০১২ সালের অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন সংশোধনী–২০১৫–এর ৪ (২) ধারায় এ মামলা করা হয়।
 
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১০ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ফরিদপুরের এলজিইডি, বিআরটিএ, সড়ক বিভাগসহ বিভিন্ন সরকারি বিভাগের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন সাজ্জাদ ও ইমতিয়াজ। এছাড়া মাদক ব্যবসা, ভূমি দখল করে অবৈধ সম্পদ করেছেন তারা। এসি, নন–এসিসহ ২৩টি বাস, ড্রাম ট্রাক, বোল্ডার, পাজেরো গাড়ির মালিক হয়েছেন। টাকার উল্লেখযোগ্য অংশ হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেন তারা। প্রথম জীবনে এই দুই ভাই রাজবাড়ী রাস্তার মোড়ে এক বিএনপি নেতার ফাইফরমাশ খাটতেন। তখন তাঁদের সম্পদ বলতে তেমন কিছুই ছিল না।

এজাহারে আরো বলা হয়, গত বছরের ১৮ জুন তিনি (এস এম মিরাজ) এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা নিযুক্ত হয়ে তদন্ত শুরু করেন। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই দুই ভাই অন্তত দুই হাজার কোটি টাকার বেশি সম্পদ অবৈধ উপায়ে উপার্জন করেছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরআর/এমএস

English HighlightsREAD MORE »