ফোনে আড়িপাতা বন্ধে রিটের বিষয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

ঢাকা, শনিবার   ১৬ অক্টোবর ২০২১,   কার্তিক ২ ১৪২৮,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

ফোনে আড়িপাতা বন্ধে রিটের বিষয়ে আদেশ ২৯ সেপ্টেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৩১ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৫:২৬ ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ফোনে আড়িপাতা বন্ধে ও ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনার তদন্ত চেয়ে করা রিটের বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার এ বিষয়ে শুনানি করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর করা এ রিট শুনানি নিয়ে গত ১৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের একই বেঞ্চ আদেশের জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছিলেন। পরে আজ আদালত আদেশের জন্য নতুন দিন ধার্য করে আদেশ দেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন। তার সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খোন্দকার রেজা-ই-রাকিব।

গত ১০ আগস্ট ফোনালাপে আড়িপাতা প্রতিরোধে পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। রিটে আড়িপাতা প্রতিরোধে নিশ্চয়তা ও ফাঁস হওয়া ঘটনাগুলোর তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়। ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ রিট আবেদন করেন।

আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, গত ২২ জুন এ বিষয়ে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। নোটিশের কোনো জবাব না পাওয়ায় রিট দায়ের করা হয়। এতে ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সংঘটিত ১৬টি আড়িপাতার ঘটনা উল্লেখ করা হয়।

রিটে বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে, ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। তাই এটি বন্ধ হওয়া উচিত।

রিটে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) বিবাদী করা হয়েছে।

রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, অ্যাডভোকেট উত্তম কুমার বণিক, অ্যাডভোকেট শাহ নাবিলা কাশফী, অ্যাডভোকেট ফরহাদ আহমেদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নওয়াব আলী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান, অ্যাডভোকেট জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েস ও অ্যাডভোকেট একরামুল কবির।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর