কঠোর লকডাউনে চলবে হাইকোর্টের তিনটি বেঞ্চে বিচারকার্য

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১,   আশ্বিন ১৩ ১৪২৮,   ১৯ সফর ১৪৪৩

কঠোর লকডাউনে চলবে হাইকোর্টের তিনটি বেঞ্চে বিচারকার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:১১ ২৪ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১৭:৫৩ ২৪ জুলাই ২০২১

হাইকোর্টের ফাইল ফটো

হাইকোর্টের ফাইল ফটো

সরকার ঘোষিত ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত কঠোর লকডাউনে ভার্চুয়ালি হাইকোর্টের তিনটি বেঞ্চে বিচার কাজ পরিচালিত হবে।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন শনিবার পৃথক এ তিনটি একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন।

এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। 

বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ অতীব জরুরি সকল প্রকার রিট মোশন, দেওয়ানি মোশন ও তৎসংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করবেন। আর বিচারপতি জে. বি. এম. হাসানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ অতীব জরুরি সকল প্রকার ফৌজদারি মোশন ও তৎসংক্রান্ত আবেদনপত্র গ্রহণ করবেন।

বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আদিম অধিক্ষেত্রাধীন অতীব জরুরি বিষয়, সাকসেশন আইন অনুযায়ী ইচ্ছাপত্র ও ইচ্ছাপত্র ব্যতিরেকে মৃত ব্যক্তির বিষয়বস্তুর অধিক্ষেত্র, বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী মোকদ্দমা, প্রাইজ কোর্ট বিষয়সহ অ্যাডমিরালটি কোর্ট আইনের অধিক্ষেত্রাধীন মোকদ্দমা, মার্চেন্ট শিপিং অর্ডিন্যান্স এর অধীনে আবেদনপত্র, ট্রেডমার্ক আইনের অধীন আবেদনপত্র, কোম্পানি আইন অনুযায়ী আবেদনপত্র, ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী আবেদনপত্র এবং সালিশ আইন অনুযায়ী আপিল ও আবেদনপত্র গ্রহণ করবেন।

সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের অংশগ্রহণে ২৩ জুলাই অনুষ্ঠিত ফুলকোর্ট সভায় চলমান লকডাউনে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত হাইকোর্ট ও দেশের অধস্তন আদালতের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে পরিচালনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। 

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র মোহাম্মদ সাইফুর রহমান জানান, ফুলকোর্ট সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আরো সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সুপ্রিমকোর্টের সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দের টিকা গ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়াও সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ৫ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফুলকোর্ট সভায় পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।

প্রত্যেক জেলা জজ আদালতে জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ প্রয়োজন অনুযায়ী ফৌজদারি দরখাস্ত শুনানির তারিখ নির্ধারণ করে শুনানি ও নিষ্পত্তি করবেন। এছাড়া সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় প্রত্যেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক বা একাধিক ম্যাজিস্ট্রেট স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারীরিক উপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন। 

লকডাউনে হাইকোর্ট ও অধস্তন আদালতে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিস্তারিত সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে।

করোনা সংক্রমণজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গত ১ থেকে ৭ জুলাই কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। পরে তা বাড়িয়ে ১৪ জুলাই পর্যন্ত করা হয়। পবিত্র ঈদুল আজহার কারণে ১৫ থেকে ২২ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছিল। পাশাপাশি ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ‘কঠোরতম বিধিনিষেধ’ আরোপে ঘোষণা দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী ২৩ জুলাই থেকে কঠোর লকডাউন চলছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ/এইচএন