প্রাইভেটকারে উঠিয়ে যাত্রীর সর্বস্ব লুট: পাঁচ ছিনতাইকারী রিমান্ডে

ঢাকা, সোমবার   ০২ আগস্ট ২০২১,   শ্রাবণ ১৯ ১৪২৮,   ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

প্রাইভেটকারে উঠিয়ে যাত্রীর সর্বস্ব লুট: পাঁচ ছিনতাইকারী রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২২ ১৮ জুন ২০২১  

ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

প্রাইভেটকারে উঠিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে যাত্রীর সর্বস্ব লুট করে নেয়ার অভিযোগে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতা মো. মানিক মিয়াসহ পাঁচ সদস্যের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম ধীমান চন্দ্র মণ্ডলের আদালত রিমান্ডের এই আদেশ দেন। 

রিমান্ডে যাওয়া অপর আসামিরা হলেন-মো. জাকির হোসেন, মো. আরিফ, মো. হযরত আলী ও মো. জাহিদ হোসেন। শুক্রবার সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে গত বুধবার রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার যার রেজি. নম্বর ঢাকা মেট্টো-গ-১১-৭৪৫৭, একটি মোবাইল, একটি ছুরি, একটি গামছা, একটি খাকি রংয়ের স্কচটেপ, লাল-কালো রংয়ের ইলেকট্রিক তার ও একটি স্ক্রু-ড্রাইভার উদ্ধার করা হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী মো. আরিফুল ইসলাম গত ২০ মে রাত সাড়ে ৯ টার দিকে কুড়াতলী বিআরটিসি বাস কাউন্টারের সামনে ভুলতা গাউছিয়াগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তখন একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকার ভুক্তভোগীর সামনে এসে দাঁড়ায়। এ সময় তিনি তাদের সাথে উক্ত প্রাইভেটকারে উঠেন। প্রাইভেটকারটি গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে প্রায় ২০০ মিটার যাওয়ার পর পিছনের সিটের ভুক্তভোগীর দুই পাশে বসা দুইজন যাত্রী তার হাত চাপ দিয়ে ধরে। ভুক্তভোগীকে গামছা দিয়ে বেঁধে কিল ঘুষি মারতে থাকে এবং গলায় ছুরি চেপে ধরে ভয় দেখায়। এ সময় আসামিরা ভুক্তভোগীর কাছে থাকা মোবাইল সেট, নগদ অর্থ ও ব্যবহৃত বিকাশ অ্যাকাউন্টের পিন কোড জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়। এরপর রাত ১০টার দিকে ভুক্তভোগীকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে গাজীপুর জেলার কালিগঞ্জ থানা এলাকায় চোখে স্প্রে করে নামিয়ে দেয়। ভুক্তভোগী তখন বুঝতে পারে প্রাইভেটকারে থাকা সবাই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য ছিল। পরবর্তী সময়ে বাদী বাসায় গিয়ে দেখতে পায়, উক্ত ছিনতাইকারীরা তার বিকাশ নাম্বারে থাকা টাকা সেন্ড মানি করে নিয়ে নিয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. আরিফুল ইসলাম খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন। থানা পুলিশের পাশাপাশি মামলাটি ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা বিমান বন্দর জোনাল টিম। এ মামলার ঘটনা তদন্তে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্ত করে গোয়েন্দা টিম।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ