প্রেমের অভিনয়ে অর্থ আত্মসাৎ: আদালতে দুই নারীর দায় স্বীকার

ঢাকা, রোববার   ২০ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৭ ১৪২৮,   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

প্রেমের অভিনয়ে অর্থ আত্মসাৎ: আদালতে দুই নারীর দায় স্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৫৪ ১২ মে ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রাজধানীতে প্রেমের অভিনয় করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের দুই নারী আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। 

বুধবার ঢাকার পৃথক দুই মহানগর হাকিম আদালত তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এদিন রিমান্ড শেষে দুই নারী আসামিকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দুই আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন। 

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী আসামি লামিছা বিনতে জাকির অর্থী এবং ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী আসামি তাসফিয়া বিনতে আশরাফ সারার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, গত সোমবার দুই আসামির একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। একই দিন এ মামলার অপর চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। 

তারা হলেন- মোসা. আসুহা আবেদীন রোজা, মো. ইমরান আহমেদ ওরফে নাজিম হোসেন, মো. খালিদ বিন মাইতুল ফাহিম ও মো. আসিফুল ইসলাম ওরফে আসিফ।

গত রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রাজধানীর বেইলিরোড় এলাকা হতে লামিছা, সারা ও আসুহাকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন রাতে খিলগাঁও তালতলা এলাকা হতে ইমরান, ফাহিম ও আসিফকে গ্রেফতার করে ডিবির স্পেশাল এন্ড ক্রাইম বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম। এসময় সাতটি মোবাইল ফোন, ১০টি সিম কার্ড, ভিকটিমের আপত্তিকর ধারণকৃত ভিডিও এবং টাকা দাবী করে পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটিং উদ্ধার করা হয়।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের সঙ্গে লামিছা এবং সারা নামে দুই মেয়ের বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ভিকটিমের বিশ্বস্ততা অর্জনে তারা মাঝে মধ্যে দেখা সাক্ষাত করতো। ভিকটিমকে কৌশলে তাদের ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। পূর্ব পরিকল্পনা মতে লামিছা এবং সারা তাদের সহযোগীদের সহায়তায় জোরপূর্বক ভিকটিমের জামা কাপড় খুলে ফেলে ভিডিও করেন। ভিডিওয়ের ভয় দেখিয়ে ভিকটিমের নিকট হতে টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রেমের অভিনয় করে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করার অপরাধে ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাহজাহানপুর থানায় মামলা রুজু হয়। এ মামলা তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ