আনসার আল ইসলামের ৪ সদস্য রিমান্ডে

ঢাকা, রোববার   ২০ জুন ২০২১,   আষাঢ় ৮ ১৪২৮,   ০৮ জ্বিলকদ ১৪৪২

আনসার আল ইসলামের ৪ সদস্য রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:২২ ৯ মে ২০২১   আপডেট: ১৫:২২ ৯ মে ২০২১

ছবি: প্রতীকী

ছবি: প্রতীকী

নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের চার সদস্যের সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার ঢাকার চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ উর রহমানের আদালত শুনানি শেষে এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- মো. জসিমুল ইসলাম ওরফে জ্যাক, মো. আব্দুল মুকিত, মো. আমিনুল হক ও সজীব ইখতিয়ার।

এর আগে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানাধীন বছিলা এলাকা থেকে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিট তাদেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি ব্যাগ, একটি চাপাতি, ৫টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।

সূত্রে জানা গেছে, জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের গ্রেফতার সদস্যরা ঢাকা ও সিলেটে পুলিশ ও বিজিবির টহল টিমে হামলার পরিকল্পনা করেছিল। এ চক্রের বাকি দুই সদস্য হিজরতের উদ্দেশে আফগানিস্তান গমন করে। গ্রেফতার এই চারজনেরও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর হামলা করে কথিত হিজরতের মাধ্যমে আফগানিস্তান পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এ জন্য তারা পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলার উদ্দেশ্যে রেকি করে। আনসার আল ইসলামের গ্রেফতার সদস্যরা নিষিদ্ধ সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনলাইনে টেলিগ্রাম অ্যাপসে সায়েন্স প্রজেক্ট নামে তৈরি করে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবহার করে বিস্ফোরক প্রস্তুতের চেষ্টা করেছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ডিভাইস পর্যালোচনা করে আরো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা জানায়, তারা সংগঠনের আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড সম্পাদনের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মোহাম্মদপুরে এসে এক হয়। আনসার আল ইসলামের দায়িত্বশীল বা মাসুদ ফরিদ ওরফে তারিক আব্দুল্লাহর সহযোগিতায় সামাজিক যোগাযোগ অ্যাপস গ্রুপ ও অনলাইনে গোপনীয় টেক্সট নামের সিক্রেট চ্যাটিং অ্যাপস ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করত।

উল্লেখ্য, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মো. জসিমুল হক অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটির বিবিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র। মো. আব্দুল মুকিত হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থানার মারকাজুস সুন্নাহ আল ইসলামিয়া মাদরাসার শিক্ষকতা করতেন। মো. আমিনুল হক সিলেটের আল হিদায়া ইসলামিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র এবং মো. সজীব ইখতিয়ার সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ