রিমান্ড শেষে যুবদল সভাপতি মজনু কারাগারে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৪ ১৪২৮,   ২৩ রমজান ১৪৪২

রিমান্ড শেষে যুবদল সভাপতি মজনু কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৬ ১৯ এপ্রিল ২০২১  

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু- ফাইল ফটো

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল আলম মজনু- ফাইল ফটো

রাজধানীতে ছাত্রদলের সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি রফিকুল আলম মজনুর রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. আশেক ইমামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আসামি মজনুকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এসময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এসময় আসামিপক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে, গত ১৫ এপ্রিল আসামি রফিকুল আলম মজনুকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক গোলাম হোসেন খান মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। এসময় আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন খারিজ করে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি লেখক মোসতাক আহমেদ জেল হাজতে মৃত্যু ও জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিলের প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভকারীরা বিনা অনুমতিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ করার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশ বিক্ষোভকারীদের থামানো ও রাস্তা থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করে। তারা প্রেস ক্লাবের ভেতরে ঢুকে অবস্থান নেয়। পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এরপর পুলিশ ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা উভয় গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রেসক্লাবের সামনের রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক পলাশ শাহা বাদী হয়ে ৪৮ আসামির নাম উল্লেখসহ ২০০/২৫০ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ