হেফাজত নেতা জুবায়ের পাঁচদিনের রিমান্ডে

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৪ ১৪২৮,   ২৩ রমজান ১৪৪২

হেফাজত নেতা জুবায়ের পাঁচদিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:১৩ ১৭ এপ্রিল ২০২১  

হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ - ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদ - ফাইল ছবি

২০১৩ সালের তাণ্ডবের ঘটনায় পল্টন থানায় করা মামলায় হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি জুবায়ের আহমদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

শনিবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসীমের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

এদিন আসামি জুবায়েরকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যার পর লালবাগ এলাকা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

এদিকে গত সোমবার এ মামলায় হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদীর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর গত বৃহস্পতিবার হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীসহ তিন জনের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। 

গতকাল শুক্রবার হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফউল্লাহর রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর আগে গত বুধবার তার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। 

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকা অবরোধ করে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এ অবরোধ কর্মসূচির নামে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতের কর্মীরা। এ ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা করা হয়। 

সম্প্রতি হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশ বায়তুল মোকাররম মসজিদ, পল্টন, যাত্রাবাড়ী সহ বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। এরপর এ ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়। মামলার তদন্তে পুলিশসহ সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তে নামে।

তদন্তের অংশ হিসেবে সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য, একইসঙ্গে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। পরে নিশ্চিত হওয়ার পরই সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেফতার করছে পুলিশ।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ