অ্যালেক্স মার্টিনের বিরুদ্ধে সামিয়া রহমানের মামলার আবেদন

ঢাকা, রোববার   ১৬ মে ২০২১,   জ্যৈষ্ঠ ২ ১৪২৮,   ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

অ্যালেক্স মার্টিনের বিরুদ্ধে সামিয়া রহমানের মামলার আবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:৪১ ৩১ মার্চ ২০২১  

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান - ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান - ফাইল ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান শিকাগো জার্নালের প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স মার্টিনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করেছেন। 

বুধবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে তিনি মামলার এ আবেদন করেন। এরপর বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মামলার বাদিনী সামিয়া রহমানের বিরুদ্ধে প্লেজারিজমের অভিযোগ আনা হয় যার অভিযোগ তদন্ত নম্বর -৩৩২৯৬। অভিযোগের বিষয়বস্তু ছিল যে, 'আপনি এবং ক্রিমিনোলজি বিভাগের প্রভাষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজান লিখিত' এ নিউ ডাইমেনশন অফ কলোনিজম এন্ড পপ কালচার: এ কেস স্টাডি অফ দা কালচারাল ইম্পেরিয়ালিজম (A new dimension of Colonialism and pop culture: A case study of the cultural imperialism)  প্রবন্ধে  প্রকাশিত The subject and power by michel foucault রচিত প্রবন্ধের কিছু অংশ প্লেজারিজম করায় সেই জার্নালের এডমিনিস্ট্রেট অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্ট প্রদানের জন্য তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।' উক্ত তদন্ত কমিটি শিকাগো জার্নালের বিগত ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ইমেইলের ভিত্তিতে বাদিনীকে বিশ্ববিদ্যালয় হতে সহযোগী অধ্যাপক হতে ডিমোশন দিয়ে সহকারী অধ্যাপক দিয়ে যে শাস্তির সুপারিশ করেছে সেই ইমেইলটি আদতে সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভুয়া, বানোয়াট এবং সৃজিত। যেহেতু ২০১৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর শিকাগো জার্নাল থেকে অফিশিয়ালি বাদিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কোন ই-মেইল কখনোই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ই-মেইল আইডিকে পাঠানো হয়নি। অ্যালেক্স মার্টিন বলে শিকাগো জার্নালে কখনোই কেউ কাজ করেনি। এমনকি শিকাগো প্রেসেও অ্যালেক্স বলে কোনো ব্যক্তি নাই।

মামলার অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, বাদিনী সামিয়া রহমান তার ফেসবুক আইডির মাধ্যমে শিকাগো জার্নালের অফিসিয়াল এডিটর ক্রেইজ ওয়াকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযুক্তের তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চান। ক্রেইজ ওয়াকার জানিয়েছেন যে, এলেক্স মার্টিন বলে কেউ কখনো শিকাগো জার্নালে ছিল না, কেউ নেই এবং [email protected] নামে তাদের কোন ইমেইল আইডি নাই। এখন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই মেইলের কোনো সফট কপি সামিয়া রহমানকে দেয়নি। মিথ্যা ও বানোয়াট মেইল আইডির ওপর ভিত্তি করেই সামিয়া রহমানকে ‘চৌর্যবৃত্তির’ মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়।

বিবাদীরা উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রতারণা করে তার নামে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার ও প্রকাশ করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অপরাধ করেছে। তিনি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে গ্রহণ করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ