আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত 

ঢাকা, শুক্রবার   ২৩ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ১০ ১৪২৮,   ১০ রমজান ১৪৪২

আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত 

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১০ ৭ মার্চ ২০২১  

আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেন সেলিম

আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেন সেলিম

শুল্ক ও কর ফাঁকি দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে স্বর্ণালঙ্কার মজুদের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার হোসেন সেলিমের বিরুদ্ধে করা মামলাটি বিচারের জন্য প্রস্তুত হয়েছে।

রোববার ঢাকা অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আবু বকর সিদ্দিক মামলার অভিযোগপত্রে দেখিলাম বলে স্বাক্ষর করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন আদালতে এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলার অভিযোগ পত্রে ২৬ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। আগামী ৭ মার্চ মামলাটি বদলির জন্য দিন ধার্য রয়েছে। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ আগস্ট চোরাচালানের মাধ্যমে আনা প্রায় ১৫ মণ সোনা ও হিরা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে দিলদার হোসেন সেলিমকে আসামি করে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকির হোসেন রমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামি বৈধভাবে তার মেসার্স আপন জুয়েলার্সের নামে প্রতিষ্ঠান স্বর্ণ সংগ্রহ ও মজুদ করেনি। এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্তৃক এরূপ পণ্য আমদানি করার জন্য প্রতিষ্ঠানটিকে কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি, বা অনুমোদনের জন্যও প্রতিষ্ঠানটি আবেদন করেনি।

দ্য কাস্টমস আইন , ১৯৯৯ এ ধারা- ১৮ , ৭৮ , ৮০ অনু্যায়ী কাস্টমস বিভাগ কর্তৃক শুল্কায়নের মাধ্যমে দেশে আমদানি হয়নি। আটক করা সোনা, সোনার বার ও ডায়মন্ড, ডায়মন্ড অলংকার ইত্যাদি স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত মর্মে কোনো প্রমাণাদি প্রদর্শিত না হওয়া এটা প্রমাণিত হয় যে, দ্য কাস্টমস আইন, ১৯৬৯ ধারা ২ (এস) এর দফা (বি) ও (ডি) অনুযায়ী চোরাচালানের মাধ্যমে অবৈধভাবে আহরিত। 

উক্ত চোরাচালান করা পণ্যমূল্যের বিনিময়ে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে বিদ্যমান আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে বিদেশে পাচার করেছে৷ ফলে আসামি ‘দেশি ও বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং ‘চোরাচালান ও শুল্ক সংক্রান্ত অপরাধ’ সংগঠনের মাধ্যমে দেশের বিদ্যমান আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে মুদ্রা প্রেরণ ও চোরাচালানের মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে লাভবান হয়েছে। ফলে আসামি ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়েছে, যা অপরাধলব্ধ অর্থ হিসেবে গণ্য।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ