ডিআইজি বজলুরের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৩১ মার্চ

ঢাকা, শনিবার   ১০ এপ্রিল ২০২১,   চৈত্র ২৮ ১৪২৭,   ২৬ শা'বান ১৪৪২

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা

ডিআইজি বজলুরের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ৩১ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:১৫ ৪ মার্চ ২০২১  

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

তিন কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের করা মামলায়  কারা অধিদফতরের সাময়িক বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩১ মার্চ দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ইকবাল হোসেন নতুন এ  দিন ধার্য করেন। 

এর আগে জামিনে থাকা আসামি বজলুর রশিদ  আদালতে উপস্থিত হননি। এরপর তার উপস্থিতিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের জেরা শুরু করেন। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত পরবর্তী জেরা ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩১ মার্চ দিন ধার্য করেন আদালত। 

গত ৮ ডিসেম্বর মামলার বাদী দুদকের উপপরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের জবানবন্দির  এর মধ্য দিয়ে মামলা সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

এদিকে গত ২৯ অক্টোবর বজলুর রশীদের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর জামিন বাতিলের আবেদন করে দুদক। এর আগে গত ২২ অক্টোবর অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে আসামি বজলুর রশিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। 

এ সময় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২২ নভেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ২৬ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. নাসির উদ্দীন ১৬ জনকে সাক্ষী করে আদালতে বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। 

এরপর গত ১ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত দুদকের দেয়া অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে ২২ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির তারিখ ধার্য করে মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এ বদলির আদেশ দেন। 

অভিযোগপত্র থেকে জানা যায়, বজলুর রশীদ রূপায়ন হাউজিং স্টেট থেকে ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী রোডের ৫৫/১ (পুরাতন) ৫৬/৫৭ (নতুন) নির্মাণাধীন স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের ২৯৮১ বর্গফুট আয়তনের অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন। এরই মধ্যে তিনি অ্যাপার্টমেন্টের মূল্যবাবদ তিন কোটি আট লাখ টাকা পরিশোধ করেন। এ অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়বাবদ বজলুর রশীদ যে টাকা পরিশোধ করেছেন, এর সপক্ষে কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি। এমনকি তিনি অ্যাপার্টমেন্টের ক্রয়-সংক্রান্ত কোনো তথ্য তার আয়কর নথিতে দেখাননি। পরিশোধিত তিন কোটি আট লাখ টাকা জ্ঞাত আয় উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুদক আইন ২৭ (১) ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

২০১৯ সালের ২০ অক্টোবর বজলুর রশীদ ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকে দুদক। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার করা হয়। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর