রাজধানীতে ডাকাতির পর হত্যা: রিমান্ড শেষে দুজন কারাগারে

ঢাকা, শনিবার   ০৬ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২১ ১৪২৭,   ২১ রজব ১৪৪২

রাজধানীতে ডাকাতির পর হত্যা: রিমান্ড শেষে দুজন কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:৪৮ ২৬ জানুয়ারি ২০২১  

ফাইল ফটো

ফাইল ফটো

রাজধানীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় ডাকাতির পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রিমান্ড শেষে আসামি সজল ও সজীবের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূইয়ার আদালত তাদের কারাগারে পাঠানো এ আদেশ দেন। 

এর আগে দুই আসামিকে ঢাকা মহানগর আদালত হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষ জামিন চেয়ে আবেদন করেন। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

এদিকে গত ২৪ জানুয়ারি রিমান্ড শেষে চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামি মুসা ও বাচ্চু স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তা রেকর্ড করার আবেদন করেন। অন্যদিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে ফের দুই আসামি সজল ও সজীবের পাঁচ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। এরপর ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদের আদালত আসামি মুসা ও বাচ্চুর জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া শুনানি শেষে অপর দুই আসামি সজল ও সজীবের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি চার আসামি মুসা, বাচ্চু, সজল ও সজিবের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ ডিসেম্বর সকালে আপন মিয়া ও তার সঙ্গী নজরুল ইসলাম দক্ষিণখানের বাসা থেকে বেরিয়ে বিমানবন্দর থানার কাওলায় গাড়ির জন্য অপেক্ষায় দাঁড়ান। কারওয়ান বাজারগামী পিকআপভ্যান এসে দাঁড়ালে উঠে পড়েন তিনি। গাড়িতে ওঠামাত্রই যাত্রীবেশে ডাকাতরা তাকে ছুরিকাঘাত করে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে ধাক্কা মেরে সড়কে ফেলে দেয়। ঘণ্টাখানেক পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা বিমানবন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত  প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে।

এ ঘটনায় গত ১৯ জানুয়ারি রাত ৯টার দিকে অভিযান পরিচালনা করে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানা এলাকা হতে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত হতে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ, চাকু, ৭ হাজার টাকা ও একটি মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়।

জানা যায়, তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। সাধারণত রাত ১১টার পর হতে একটি ভাড়া করা পিকআপ নিয়ে ডাকাতির উদ্দেশ্যে বের হয়। তারা আব্দুল্লাহপুর থেকে কারওরান বাজার, রামপুরা থেকে যাত্রাবাড়ী ও যাত্রাবাড়ী থেকে ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় পিকআপযোগে ডাকাতি করে।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর