অভিজিৎ হত্যা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, আত্মপক্ষ সমর্থন ২৭ জানুয়ারি

ঢাকা, শুক্রবার   ০৫ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২১ ১৪২৭,   ২০ রজব ১৪৪২

অভিজিৎ হত্যা মামলা: সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ, আত্মপক্ষ সমর্থন ২৭ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৫৪ ২১ জানুয়ারি ২০২১  

অভিজিৎ রায়। ফাইল ছবি

অভিজিৎ রায়। ফাইল ছবি

ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যায় আসামিদের ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আগামী ২৭ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালতে এ মামলায় ২৮ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ দিন ধার্য করেন। 

এর আগে কারাগারে আটক চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলার তৃতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলামকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অবশিষ্ট জেরা শেষ করেন।  

এদিকে গতকাল বুধবার  সাক্ষী মনিরুল ইসলামের জবানবন্দি শেষ হলে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জেরা শুরু করেন। তবে জেরা শেষ না হওয়ায় আদালত অবশিষ্ট জেরার জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন। তবে পলাতক দুই আসামি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

গত ২২ ডিসেম্বর মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত গোলদার আদালতে এ সাক্ষ্য দেন। এরপর গত ১৩ জানুয়ারি দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমান আদালতে দেন। 

এ মামলার আসামিরা হলেন- মেজর (চাকরিচ্যুত) সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন (সাংগঠনিক নাম শাহরিয়ার), আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আকরাম হোসেন ওরফে আবির, মো. আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি। 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে ব্লগার ও বিজ্ঞানবিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায়কে সন্ত্রাসীরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। 

তার পরের দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। 

২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ছয়জনের বিরুদ্ধে ৩৪ জনকে সাক্ষী  করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর একই বছরের ১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক আসামি জিয়াউল ও আকরামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর