অবৈধ সম্পদ অর্জন: বাবরের বিরুদ্ধে পুনরায় সাক্ষী ১৮ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা, রোববার   ০৭ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ২২ ১৪২৭,   ২২ রজব ১৪৪২

অবৈধ সম্পদ অর্জন: বাবরের বিরুদ্ধে পুনরায় সাক্ষী ১৮ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১২ ২১ জানুয়ারি ২০২১  

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় একুশ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মোহাম্মদ শহিদুল ইসলামের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেন্স সহকারী মোশাররফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে কারাগারে থাকা আসামি বাবরকে আদালতে হাজির করা হয়। এদিন মামলাটি যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ছিল। কিন্তু দুদকের পক্ষে মামলাটি যুক্তিতর্ক থেকে উত্তোলন করে বাদী সাক্ষী দুদকের উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলমকে রিকল করার জন্য আবেদন করেন। এরপর আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে পুনরায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে। এরপর আদালত রায়ের জন্য দিন ধার্য করবেন। 

এদিকে ২০০৭ সালের ২৮ মে বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে আটক হওয়া এ আসামির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের মামলাটি ২০০৮ সালের ১৩ জানুয়ারি রমনা থানায় দায়ের করা হয়। মামলাটি করেন সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৬ জুলাই দুদকের উপসহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগ পত্রে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার অবৈধ সম্পদ রাখার অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব দাখিল করেছিলেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুটি এফডিআর-এ ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপনের কথা উল্লেখ করা হয়। একই বছরের ১২ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন  করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত অভিযোগ পত্রে উল্লেখিত নয় জন সাক্ষীর মধ্যে সাত জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। 

মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭-এ সাক্ষী শেষে গত বছরের ১ মার্চ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষা করা হয়। আসামিপক্ষের আরজি সাফাই সাক্ষী দেবেন না, তবে লিখিত বক্তব্য দেবেন বলে সময় নেন। লিখিত বক্তব্য না দিয়ে এভাবে পরপর তিনবার সময় নেন তারা।

এরপর লুৎফুজ্জামান বাবরের পক্ষে আদালত পরিবর্তনের আবেদন করা হয়। হাইকোর্ট ১৪ অক্টোবর আবেদনটি সরাসরি খারিজ করেন এবং আদেশ হাতে পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর