অভিজিৎ হত্যা মামলা: দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ 

ঢাকা, শুক্রবার   ২২ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৮ ১৪২৭,   ০৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২

অভিজিৎ হত্যা মামলা: দ্বিতীয় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ 

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২০:০৮ ১৩ জানুয়ারি ২০২১  

ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়- ফাইল ছবি

ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায়- ফাইল ছবি

ব্লগার ও লেখক অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার দ্বিতীয় তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ কমিশনার ফজলুর রহমানের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমানের আদালত তার এ সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

এর আগে কারাগারে আটক চার আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর আসামিদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। তবে পলাতক দুই আসামি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া ও আকরাম হোসেন ওরফে আবির আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

গত ২২ ডিসেম্বর মামলার প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত গোলদার আদালতে এ সাক্ষ্য দেন। এ মামলায় মোট ৩৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

এ মামলার আসামিরা হলেন- সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক ওরফে জিয়া, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব ওরফে সাজিদ ওরফে শাহাব, আকরাম হোসেন ওরফে আবির, মো. আরাফাত রহমান ও শফিউর রহমান ফারাবি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পাশে ব্লগার ও বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক অভিজিৎ রায়কে সন্ত্রাসীরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ আহত হন।

অভিজিৎ ও রাফিদা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অমর একুশে গ্রন্থমেলা উপলক্ষে তারা দেশে এসেছিলেন। মেলা থেকে বেরিয়ে বাসায় ফেরার পথে তারা হামলার শিকার হন।

আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হলে রাত সাড়ে ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার পরেরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিজিতের বাবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক অজয় রায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

২০১৯ সালের ১৩ মার্চ ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনসারীর আদালতে ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর একই বছরের ১ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে পলাতক আসামি জিয়াউল ও আকরামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকেএ