নায়িকা তমা মির্জাসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৯ ফেব্রুয়ারি

ঢাকা, শনিবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১,   ফাল্গুন ১৪ ১৪২৭,   ১৪ রজব ১৪৪২

নায়িকা তমা মির্জাসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ৯ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১২ ১১ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১৫:১৫ ১১ জানুয়ারি ২০২১

তমা মির্জা ও হিশাম চিশতী

তমা মির্জা ও হিশাম চিশতী

হত্যাচেষ্টার অভিযোগে নায়িকা তমা মির্জাসহ চারজনের বিরুদ্ধে স্বামী হিশাম চিশতীর করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত। 

সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশিদের আদালত নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- তমা মির্জার মা ফাতেমা বেগম, বাবা মির্জা আবু জাফর ও ভাই ওয়াসিম। 

গত ৬ ডিসেম্বর হিশাম চিশতী বাদী হয়ে মির্জা ফারজানা ইয়াসমিন তমাসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এর আগে গত ৫ ডিসেম্বর রাত ৩টায় রাজধানীর বাড্ডা থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং যৌতুক জন্য মারপিটসহ হুমকি প্রদানের অভিযোগে স্বামী হিশাম চিশতী বিরুদ্ধে নায়িকা তমা মির্জা মামলা করেন। 

হিশাম চিশতী মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মির্জা ফারজানা ইয়াসমিন তমা (তমা মির্জা) ও হিশাম চিশতির মধ্যে প্রায় দেড় বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে বাবা-মায়ের প্ররোচনায় হিশামের কাছ থেকে মোট ২০ লাখ টাকা ধার হিসেবে নেন তমা। সেই ধারের টাকা ফেরত চাইলে কালক্ষেপণ শুরু করেন। এ পরিস্থিতিতে গত ২৯ সেপ্টেম্বর হিশাম কানাডা থেকে দেশে এসে তমাকে তার নিজের বাসায় এসে থাকতে বলেন। কিন্তু তিনি নানা অজুহাতে তার বাসায় না গিয়ে বাবার বাসাতেই থাকতে থাকেন। এরপর হিশাম শ্বশুর বাড়িতে গেলে তার সঙ্গে তমাসহ বাড়ির সবাই খারাপ আচরণ শুরু করেন। 

একপর্যায়ে গত ৫ ডিসেম্বর রাত ৩টার দিকে তমা মির্জার বাবার বাড্ডার বাসায় যেতে বলা হয় হিশামকে। সেখানে নানা বিষয়ে আলোচনার পর ধার নেয়া ২০ লাখ টাকা চাইলে বাসার সদস্যদের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে বাড়ির সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে হিশামের ওপর আক্রামণ করেন। ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে তাকে খুন করার চেষ্টা করা হয়। এছা্ড়া লোহার চেয়ার দিয়ে আঘাত করলে ডান হাতে গুরুতর আঘাত পেয়ে মেঝেতে পড়ে যান হিশাম। তিনি চিৎকার শুরু করলে বাসার নিচের দারোয়ান ও আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এদিকে মামলার এজাহারে তমা মির্জা উল্লেখ করেছেন, বিয়ের পর থেকে তার স্বামী হিশাম চিশতী বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য মারধর করতেন। এছাড়া অকারণে গায়ে হাত তুলতেন। এমনকি ফেসবুকে পরিচয় গোপন করে মানহানিকর কথাবার্তা বলতেন। এছাড়া হিশাম তমা মির্জার বাবা-মাকে ভয়ভীতি দেখান এবং হত্যার হুমকি দেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাদের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি প্রকাশের ভয়ভীতি দেখান।

২০১৯ সালের ৭ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক হিশাম চিশতীকে বিয়ে করেন তমা মির্জা। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর