বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক হত্যা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

ঢাকা, রোববার   ১৭ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ৪ ১৪২৭,   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক হত্যা: আসামিদের মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ

রওনক হাসান ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৯:২০ ১ ডিসেম্বর ২০২০  

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরী - ফাইল ছবি

বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরী - ফাইল ছবি

ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলার কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও তৎকালীন আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিক উল্লাহ চৌধুরী হত্যা মামলার রায়ের জন্য আগামীকাল বুধবার দিন ধার্য রয়েছে। 

ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ রায় ঘোষণা করবেন।  

এদিকে আসামিদের আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চায় রাষ্ট্রপক্ষ। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি মো. আবু আব্দুল্লাহ ভূইয়া বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। রায়ে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করছি।

দীর্ঘ সাত বছর আগের ২০১৩ সালের ১০ ডিসেম্বর নিখোঁজ হন মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যান আতিক উল্লাহ চৌধুরী। পরদিন ১১ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর এলাকার একটি হাসপাতালের পাশ থেকে তার আগুনে পোড়া বিকৃত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামিরা তাকে হত্যা পর মৃতদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করে। পরে তার সঙ্গে থাকা কাগজ ও এটিএম কার্ড দেখে লাশ শনাক্ত করেন নিহতের ছেলে সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী।

ঘটনায় নিহতের ছেলে কোন্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান ফারুক চৌধুরী বাদী হয়ে ২০১৩ সালের ১২ ডিসেম্বর দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে ২০১৫ সালের ৩১ জানুয়ারি ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। এরপর একই বছরের ২ জুলাই আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর গত ১০ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। এ মামলা চলাকালীন বিভিন্ন সময় মোট ২১ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত।

মামলার আসামিরা হলেন- গুলজার হোসেন, শম্পা, আশিক, শিহাব আহম্মেদ ওরফে শিবু, আহসানুল কবির ইমন, তাজুল ইসলাম তানু, জাহাঙ্গীর খাঁ ওরফে জাহাঙ্গীর এবং রফিকুল ইসলাম ওরফে আমিন ওরফে টুন্ডা আমিন। 

আসামিদের মধ্যে শম্পা, জাহাঙ্গীর ও আহসানুল কবীর কারাগারে আছেন। গত ১০ আগষ্ট আদালত জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ