প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের স্থানে বোমা পুঁতে রাখার মামলায় দুই ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২১,   মাঘ ১৪ ১৪২৭,   ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৪২

প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের স্থানে বোমা পুঁতে রাখার মামলায় দুই ম্যাজিস্ট্রেটের সাক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩৯ ১ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:৩৯ ১ ডিসেম্বর ২০২০

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে টুঙ্গিপাড়ার কোটালিপাড়ায় হেলিকপ্টার অবতরণের স্থানে বোমা পুঁতে রাখার মামলায় তৎকালীন গোপালগঞ্জের দুই ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। 

তারা হলেন- প্রবীর কুমার চক্রবর্তী ও আ.এস.এম মৈনুর। 

মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন।

এ নিয়ে মামলার মোট ৫০ সাক্ষীর মধ্যে ৩৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো। এসময় আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৫ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০০ সালের ১১ জুলাই রাতের কোনো এক সময়ে আসামিরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে টুঙ্গিপাড়ার কোটালিপাড়ার হেলিকপ্টার অবতরণের স্থানে বোমা পুঁতে রাখে। 

এ মামলার আসামিদের মধ্যে মো. আজিজুল হক ওরফে শাহনেওয়াজ, মো. লোকমান, মো. ইউসুফ ওরফে মোছহাব মোড়ল, মোছহাব হাসান ওরফে রাশু ও শেখ মো. এনামুল হল পলাতক রয়েছে। 

আসামি মো. মফিজুর রহমান অরফে মফিজ, মো. মাহমুদ আজহার ওরফে মামুনুর রশিদ, মো. রাশেদুজ্জামান ওরফে শিমুল, মো. তারেক, মো. ওয়াদুদ শেখ ওরফে গাজী খান, মো. আনিসুল ইসলাম ও সারোয়ার হোসেন মিয়া কারাগারে আটক রয়েছে। 

এছাড়া মাওলানা আমিরুল ইসলাম ওরফে জেন্নাত মুন্সী ও  মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জামিনে রয়েছে।

২০০১ সালের ১৫ নভেম্বর তৎকালীন সিআইডির এএসপি মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর ২০০৪ সালের ২১ নভেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারের আদেশ দেন আদালত।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ