ধর্ষণের শিকার সেই ঢাবি ছাত্রীর এক নিকটাত্মীয় দিলেন সাক্ষ্য

ঢাকা, মঙ্গলবার   ২৭ অক্টোবর ২০২০,   কার্তিক ১২ ১৪২৭,   ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

ধর্ষণের শিকার সেই ঢাবি ছাত্রীর এক নিকটাত্মীয় দিলেন সাক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৩ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:১৫ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার মজনু। ফাইল ছবি

র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার মজনু। ফাইল ছবি

রাজধানীর কুর্মিটোলায় ধর্ষণের ঘটনায় ক্যান্টনমেন্ট থানার মামলায় অভিযুক্ত মজনুর বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সেই ছাত্রীর এক নিকটাত্মীয় সাক্ষ্য দিয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক মোসাম্মৎ কামরুন্নাহারের আদালতে জবানবন্দি দেন তিনি। এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবী রবিউল ইসলাম তাকে জেরা করেন। 

ওই আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর আফরোজা ফারহানা আহমেদ (অরেঞ্জ) জানান, ভুক্তভোগী ছাত্রীর এক নিকটাত্মীয় আজ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি সাংবাদিক। ওই ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার পর তার এই নিকটাত্মীয় সাংবাদিককে ফোন দেন। তিনি পরবর্তীসময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিমানবন্দর থানাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এরপর তাকে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে যান এবং পরবর্তী দু’তিনদিন তার পাশে ছিলেন।

এই মামলার একমাত্র আসামি মজনুর বিরুদ্ধে গত ১৬ আগস্ট চার্জশিট গ্রহণ করেন আদালত। গত ২৬ আগস্ট মজনুর বিচার শুরু হয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার সাক্ষ্যের মধ্য দিয়ে এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। 

পরদিন ভুক্তভোগী ছাত্রী ধর্ষক হিসেবে মজনুকে শনাক্ত করেন। এরপর ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষক ও ভুক্তভোগী ছাত্রীর দুই বান্ধবী সাক্ষ্য দেন। তাই রাষ্ট্রপক্ষের ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হল।

গত ৫ জানুয়ারি কুর্মিটোলায় ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন মজনু। ওই ঘটনায় ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

পরে ৮ জানুয়ারি ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন শেওড়া বাসস্ট্যান্ড থেকে মজনুকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। ৯ জানুয়ারি আদালত মজনুর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। ১৬ জানুয়ারি মজনু দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। 

গত ১৬ মার্চ মজনুকে একমাত্র আসামি করে ঢাকা সিএমএম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক আবু সিদ্দিক। ওই দিনই আদালত মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেন। 

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর