মহামারিতে নিহতদের অভিনব উপায়ে স্মরণ
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=206004 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৮ ১৪২৭,   ০৫ সফর ১৪৪২

মহামারিতে নিহতদের অভিনব উপায়ে স্মরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫৫ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৭:০২ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

মহামারিতে নিহতদের অভিনব উপায়ে স্মরণ

মহামারিতে নিহতদের অভিনব উপায়ে স্মরণ

চলতি মহামারিতে মৃত ব্যক্তিদের অভিনব কায়দায় স্মরণ করছেন চীনের শানদং অঞ্চলের এক তাও যাজক। মহামারিতে সেই অঞ্চলের যারা মারা গেছেন, তাদের স্মৃতি রক্ষায় এক অভিনব পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন।

আলজাজিরার একটি প্রতিবেদন অনুসারে, শানদং অঞ্চলের একটি তাও মঠে গেলে দেখা যাবে সারি সারি স্মৃতিফলক। মোট ৫৫৮টি স্মৃতি-ফলকের ওপর লেখা আছে মৃতের নাম ও জন্মস্থান। এভাবেই মহামারিতে নিহতদের মনে রাখার উদ্যোগ নিয়েছেন তাও যাজক লিয়াং শিংইয়াং।

তিনি বলেন, মানুষের প্রকৃত মৃত্যু তখন হয়, যখন গোটা বিশ্ব তাকে ভুলে যায়। আমার মতে, ধর্মবিশ্বাস যা-ই হোক না কেন, সবার আত্মাই স্মরণ করার যোগ্য।

অভিনব উপায়ে নিহতদের স্মরণ

২০১৫ সালে তাও ধর্ম গ্রহণ করেন লিয়াং। পাহাড়ি এলাকায় সবুজে ঘেরা মঠের এই ফলক চীনে ব্যতিক্রমী। শুধু তাই নয়, লিয়াঙের বিশ্বাস, এই সংকলন হয়ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় তাও বা বৌদ্ধ স্মৃতিফলকের সংকলন হতে পারে।

উহান অঞ্চল থেকে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের কবলে প্রাণ হারিয়েছেন যারা, তাদের স্মৃতিতে চীনে এই তাও ফলক ছাড়াও আরো বেশ কিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কোনো কোনো জাদুঘরে বিশেষ বিভাগ চালু হয়েছে, যেখানে আক্রান্তের পরিবারের পক্ষে নানা জিনিস দান করা হয়েছে।

লিয়াং জানান, শানদং অঞ্চলের এই তাও মঠের ফলকে যাদের নাম আছে, তাদের মধ্যে খুব কমই মহামারীতে প্রাণ হারিয়েছেন। বেশির ভাগের মৃত্যু হয়েছে বয়সজনিত বা অন্যান্য রোগের কারণে। কিন্তু প্রত্যেকেই লিয়াঙের মতে ‘স্থানীয় হিরো’।

লিয়াং বলেন, শারীরিক মৃত্যুর পরেও এভাবে প্রিয়জনকে দেখতে পারা, বিশেষ করে মৃত্যুর পরেও পরিবারের সদস্যদের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারার এই সুযোগ আমার কাছে সবচেয়ে শান্তির।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএস