বেগুনি পাতার ধান, শ্রীমঙ্গলে এই প্রথম
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=205997 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৮ ১৪২৭,   ০৫ সফর ১৪৪২

বেগুনি পাতার ধান, শ্রীমঙ্গলে এই প্রথম

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৩৭ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৬:৫৫ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

নিজের বেগুনি ধানের জমিতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন সালেহ আহমেদ

নিজের বেগুনি ধানের জমিতে কীটনাশক ছিটাচ্ছেন সালেহ আহমেদ

চারপাশে সবুজের সমারোহ। মাঝখানে বেগুনি রঙের পাতার ধানক্ষেত। প্রথম দর্শনে অবাক হবেন যে কেউ। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে প্রথমবারের মতো বেগুনি পাতার ধান চাষ করেছেন মো. সালেহ আহমদ নামে এক কৃষক। এতে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।

সালেহ আহমদ ওই উপজেলার আশিদ্রোন ইউপির তিতপুরের বাসিন্দা। তিনি জানান, ফলন ভালো হলে আগামীতে আরো বেশি জমিতে এ ধান চাষ করবেন।

সালেহ আহমেদ জানান, মৌলভীবাজারে তার মামাতো ভাইয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে তিনি বেগুনি ধান দেখতে পান। এতে মুগ্ধ হয়ে এ জাতের ধান চাষে আগ্রহী হন তিনি। পরে মামাতো ভাইয়ের মাধ্যমে বীজ সংগ্রহ করে কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় নিজ এলাকায় এই ধান চাষ করেছেন।

সালেহ আহমেদ এ ধানের নাম দিয়েছেন সুবর্ণা ইরি ধান। তিনি আরো জানান, জমিতে বীজ রোপণের পর খুব বেশি পরিচর্যা করতে হয়নি। সারও লেগেছে কম। আশপাশের অনেক মানুষ আসছেন তার ধানক্ষেত দেখতে। অন্য ধানের চেয়ে ফলন বেশি পাওয়ার আশা করছেন তিনি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন চাষ শুরু হওয়া এ ধানের নাম পার্পল লিফ রাইস। দেশে সর্বপ্রথম এ জাতের ধানের আবাদ শুরু হয়েছিল গাইবান্ধায়। সৌন্দর্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর এ ধান। ধানের রঙ সোনালি ও চালের রঙ বেগুনি। উফশী জাতের এ ধানে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেক কময়। রোপণ থেকে ধান পাকতে সময় লাগে ১৪৫-১৫৫ দিন। অন্য জাতের ধানের চেয়ে এ ধানের গোছা প্রতি কুশির পরিমাণ বেশি থাকায় ফলনও বেশ ভালো। একরপ্রতি  ৫৫-৬০ মণ ধান ফলে। অন্য সব ধানের তুলনায় এ ধান মোটা, ভাতও সুস্বাদু।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন মোনালিসা সুইটি বলেন, বেগুনি রঙের এ ধান বিদেশি নয়। এটি আমাদের দেশি জাতের ধান। আগে অন্য জেলায় চাষ হয়েছে, এবার প্রথমবারের মতো শ্রীমঙ্গলে চাষ হচ্ছে। একজন চাষি পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেছেন। ফলন ভালো হলে উৎপাদিত ধানগুলো বীজ আকারে রাখা হবে।

তিনি আরো বলেন, এই ধান বোরো মৌসুমের জাত। দ্রুত ফলন দেয়ায় এই জাতের ধানে রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। গাছ শক্ত হওয়ায় ঝড়বৃষ্টিতেও হেলে পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে। সৌখিন কৃষকরা এই জাতের ধান চাষ করতে পারেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর/এইচএন