তিস্তার প্রবল স্রোতে তিন শতাধিক বাড়ি-ঘর বিলীন
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=205939 LIMIT 1

ঢাকা, বুধবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৮ ১৪২৭,   ০৫ সফর ১৪৪২

তিস্তার প্রবল স্রোতে তিন শতাধিক বাড়ি-ঘর বিলীন

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১২:৩৫ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০   আপডেট: ১২:৪৭ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

তিস্তা নদীর প্রবল স্রোতে গত দুই সপ্তাহে কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার তিন শতাধিক বাড়ি-ঘরসহ স্কুল ও মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

কুড়িগ্রামের উলিপুর বজরা ইউপি ও গাইবান্ধার কাশিমবাজারে ভয়াবহ ভাঙন চলছে। প্রায় ২০০ মিটার পাকা সড়ক ভাঙনে বিলীন হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভাঙনে দুই জেলার অনেক মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন।

তিস্তার নদীর ভাঙনে সব হারানো এক বিধবা নারী বলেন, ‘প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়া অনেক কষ্ট করি বাঁচি আছি। এপাকে বাড়ি ভাঙবের নাগছে। কাঁইয়ো জাগা দিবার নাগছে না। খাবারও নাই। গাছের ডাল কাটি বিক্রি করি কোনোমতে বাঁচি আছি। তোমরা নদীটা বান্ধি দেও।’

‌‘তিনবার বাড়ি ভাঙছি। শ্বশুরের ভিটায় আশ্রয় নিছি। সেটাও ভাঙি গেইছে। হামরা এ্যালা কোটে যামো’ কথাগুলো বলছিলেন ভাঙনকবলিত এলাকার গফুর মিয়া।

আরো পড়ুন >>> আদালতে মিন্নির উপস্থিতিতে চলছে বিচারিক কার্যক্রম

মোজাম্মেল হক নামে এক কৃষক বলেন, ‘বাহে ১২ একর জমি আছিল। ৭ বার বাড়ি ভাঙছি। সম্পদ সউগ নদী খায়া গেইছে । এ্যালা বাড়ি ভিটাসহ ৩০ শতক জমি আছে। সেটাও যাবার নাগছে। এটা গেইলে নিঃস্ব হয়া যামো।

স্থানীয়রা জানান, নদী বিচ্ছিন্ন গাইবান্ধা জেলার এই অংশটুকু কুড়িগ্রামের মাটিতে পড়ায় এলাকার মানুষ সব সময় বৈষম্যের শিকার হয়েছে।

এলাকবাসীর অভিযোগ, এলাকার তিনভাগের দুইভাগ অঞ্চল নদী গর্ভে চলে গেলেও স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেয়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। তীব্র নদী ভাঙনে জিও ব্যাগ ফেলানো হলেও তা কাজে লাগছে না। শুকনো মৌসুমে কাজের কথা বললেও তারা শোনেন না। এখন শুধু ঠিকাদার দিয়ে অর্থের অপচয় হচ্ছে। তারা দ্রুত তিস্তা নদীর ভাঙন থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষার দাবি জানান।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম বলেন, বরাদ্দ ও বাজেট না পাওয়ায় কাজে বিঘ্ন ঘটছে। বরাদ্দ পেলে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে