ডায়াবেটিস মাপার সময় ফলাফল ভুল আসার কারণ
SELECT bn_content.*, bn_bas_category.*, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeInserted, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeInserted, DATE_FORMAT(bn_content.DateTimeUpdated, '%H:%i %e %M %Y') AS fDateTimeUpdated, bn_totalhit.TotalHit FROM bn_content INNER JOIN bn_bas_category ON bn_bas_category.CategoryID=bn_content.CategoryID INNER JOIN bn_totalhit ON bn_totalhit.ContentID=bn_content.ContentID WHERE bn_content.Deletable=1 AND bn_content.ShowContent=1 AND bn_content.ContentID=205768 LIMIT 1

ঢাকা, সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০,   আশ্বিন ৬ ১৪২৭,   ০৩ সফর ১৪৪২

ডায়াবেটিস মাপার সময় ফলাফল ভুল আসার কারণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৫০ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০  

ছবি: ডায়াবেটিস মাপার নিয়ম

ছবি: ডায়াবেটিস মাপার নিয়ম

অনেক সময় যন্ত্রের সাহায্যে রক্তে শর্করা মাত্রা নির্ণয় করতে গেলে ভুল সংখ্যা আসে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়মিত রক্তের শর্করার মাত্রা নির্ণয় করতে হয়। এর জন্য বেশিরভাগ রোগী ঘরেই ডায়াবেটিস মাপার যন্ত্র ব্যবহার করেন। 

যদিও এই যন্ত্রের ফলাফলকে শতভাগ সঠিক ধরা যায় না; সঠিক মাত্রার অনেকটা কাছাকাছি তা যেতে পারে। তবে বিভিন্ন কারণে এই যন্ত্রের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা অস্বাভাবিক মাত্রায় ভুল আসতে পারে। তবে কয়েকটি বিষয়ের কারণে এই সমস্যা হয়ে থাকে। জেনে নিন রক্তে শর্করার মাত্রা নির্ণয়ে ভুল আসার সম্ভাব্য কিছু কারণ-

আরো পড়ুন: দাম্পত্য জীবনে যেসব বিষয়ে আশা রাখা ভুল

> স্টিপের মেয়াদ শেষ হলে ভুল ফলাফল দেয়। প্রতিটি স্ট্রিপের বাক্সেই মেয়াদ লেখা থাকে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই মেয়াদ হয় প্যাকেট খোলার পর একমাস। তবে আপনার স্ট্রিপের মেয়াদ প্যাকেট থেকে দেখে নিতে হবে সবসময়। আর স্ট্রিপ রাখতে হয় কক্ষ তাপমাত্রায় শুষ্ক স্থানে। সরাসরি সূর্যের আলোর সংস্পর্শে আসলে স্ট্রিপ দ্রুত নষ্ট হয়।

> শরীর অত্যধিক গরম কিংবা ঠাণ্ডা হলে ফলাফর ভুল আসতে পারে। প্রচণ্ড গরম ডায়াবেটিস ‘রিডিং’ আসে বেশি আর শীতে কাতর থাকলে ‘রিডিং’ আসবে কম। তাই শীতের দিন হোক আর প্রচণ্ড গরমের দিন শরীরকে আরামদায়ক তাপমাত্রায় এনে তবেই ডায়াবেটিস মাপতে হবে। 

> আঙুলে পরিষ্কার না করে পরীক্ষা করা। ডায়াবেটিস মাপার জন্য সচরাচর হাতের আঙুল থেকেই এক ফোঁটা রক্ত নেয়া হয়। যেখান থেকে এই রক্ত নেয়া হল সেই স্থানটি পুরোপুরি পরিষ্কার করা না হলে রক্তে যেকোনো কিছু মিশে গেলেই ‘রিডিং’ ভুল আসার সম্ভাবনা দেখা দেয়। শুধু পরিষ্কার করলেই হবে না, হাত ভালোভাবে শুকাতেও হবে। কারণ ওই এক ফোঁটা রক্তে পানি মিশে গিয়ে রক্ত পাতলা হয়ে গেলে রক্তে শর্করার মাত্রা ভুল আসবে।

আরো পড়ুন: ম্যালেরিয়া-ডেঙ্গু থেকে মিলবে মুক্তি এই গাছগুলো ঘরে থাকলে

> যন্ত্রে যদি ধুলা-বালি জমে থাকে তাহলেও রিডিং ভুল আসবে। তাই মাপার আগে পরে যন্ত্রটিকে পরিষ্কার করে প্যাকেট করে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

> পানিশূন্যতার কারণে রক্তে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যায়। আর একারণেও রক্তে শর্করার মাত্রা পরিমাপ ভুল দেখাতে পারে। তাই ডায়াবেটিস মাপার কিছুক্ষণ আগে এক গ্লাস পানি পান করে নেওয়া উচিত।

> স্ট্রিপের খুব সামান্য পরিমাণ রক্ত প্রয়োজন হয়। আর তাতে ব্যথাও প্রায় লাগে না বললেই চলে। তাই আঙুলের মাথায় ছিদ্র করার পর আলতো চাপ একটি বড় ফোঁটা পরিমাণ রক্ত বের করে সেখানে স্ট্রিপটা স্পর্শ করাতে হবে। এই পুরো কাজটা একবারে করতে হবে। প্রথমবার ভালোভাবে না হলে একই স্ট্রিপে দ্বিতীয়বার রক্ত লাগালেও ভুল ‘রিডিং’ আসতে পারে।

> অনেকেই খাওয়ার পাঁচ মিনিট পরেই ডায়াবেটিস মাপতে বসে পড়েন। এমনটা করলে রক্তে শর্করার মাত্রা অনেক বেশি দেখাবে। যা আপনাকে চিন্তিত করতে পারে। তাই খাওয়া ঠিক কতক্ষণ পর ডায়াবেটিস মাপতে সেটা জেনে নিতে হবে চিকিৎসকের কাছ থেকে। তবে গড় হিসেবে খাওয়ার দুই ঘণ্টা পর মাপলে মোটামুটি নির্ভুল ‘রিডিং’ পাওয়া যায় বলে দাবি করেন বিশেষজ্ঞরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেএমএস