হেফাজত নেতা শাখাওয়াত ৬ দিনের রিমান্ডে

ঢাকা, রোববার   ০৯ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৭ ১৪২৮,   ২৬ রমজান ১৪৪২

হেফাজত নেতা শাখাওয়াত ৬ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:৪২ ৫ মে ২০২১   আপডেট: ১৪:৫৮ ৫ মে ২০২১

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজী - ফাইল ছবি

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজী - ফাইল ছবি

নাশকতার দুই মামলায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীর ছয়দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম শাহিনুর রহমানের আদালত শুনানি শেষ এই আদেশ দেন।

এদিন শাখাওয়াত হোসাইন রাজীকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর ২০১৩ সালের মতিঝিল ও পল্টন থানার দুই মামলায় তার সাতদিন করে মোট ১৪ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। এ সময় আসামি পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত দুই মামলায় তিনদিন করে মোট ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, গত ২২ এপ্রিল পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় এ মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে মতিঝিলের দুই মামলা ও পল্টন থানার এক মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিন করে মোট ৩০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে আদালত তার তিন মামলায় সাতদিন করে মোট ২১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

গত ১৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর লালবাগ থেকে মুফতি শাখাওয়াত হোসাইন রাজীকে গ্রেফতার করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি টিম। তার পরদিন ১৫ এপ্রিল পল্টন থানায় হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় করা মামলায় তার পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে অবরোধ কর্মসূচির নামে লাঠিসোটা, ধারালো অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন ও আরামবাগসহ আশপাশের এলাকায় যানবাহন ও সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এ ঘটনায় পল্টন থানায় মামলা করা হয়।

সম্প্রতি বায়তুল মোকাররম মসজিদ, পল্টন, যাত্রাবাড়ীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এরপর এ ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা হয়। তদন্তে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তদন্তের অংশ হিসাবে সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্য, একই সঙ্গে ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হচ্ছে। নিশ্চিত হওয়ার পরই সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেফতার করছে পুলিশ।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিআরএইচ/এইচএন