করোনা সংকটে প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

ঢাকা, সোমবার   ১০ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৭ ১৪২৮,   ২৭ রমজান ১৪৪২

করোনা সংকটে প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতে কাজ করছে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৪৪ ৩ মে ২০২১   আপডেট: ১৬:০৪ ৩ মে ২০২১

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

করোনা সংকটে দেশের জনসাধারণের প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতকরণে কাজ করে যাচ্ছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ সময়ে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। 

সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ চলাকালেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখা হয়েছে। এ লক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দফতরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দফতরে ও কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

করোনা পরিস্থিতিতেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি (লাইভ), গবাদিপশু, মাছের পোনা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, প্রাণিজাত পণ্য, মৎস্য ও পশু খাদ্যসহ এ ধরনের খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ, কৃত্রিম প্রজনন এবং পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ-সরঞ্জামাদি অবাধ উৎপাদন, পরিবহন ও সরবরাহ এবং বিপণন অব্যাহত রাখা হয়েছে। 

এছাড়া রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

এতে একদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিরা যেমন ন্যায্যমূল্যে উৎপাদিত পণ্য সহজে বিপণন করতে পারছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা চলমান বিধিনিষেধের মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্য সহজে ক্রয় করে তাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারছেন।

করোনায় চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহন, সরবরাহ ও বিপণনজনিত উদ্ভূত সমস্যা সমাধান ও সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য মৎস্য অধিদফতরে একটি ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরে আরেকটি কন্ট্রোল রুম কাজ করেছে।

কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গতকাল রোববার (২ মে) দেশের ৬৪টি জেলায় ৭২০টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র পরিচালনা করে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৬৮ লিটার দুধ, ৮ লাখ ৪৮ হাজার ৮০১টি ডিম, ৫ হাজার ৯৩৪ কেজি গরুর মাংস, ১ হাজার ১৪০ কেজি খাসির মাংস, ৭৫ হাজার ৭২৬ কেজি মুরগি এবং ১৬১ মেট্রিক টন মাছ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৫ কোটি ৩০ লাখ টাকা।

এসব কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি ও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। এছাড়া মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বিভিন্ন জেলায় সার্বক্ষণিক মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/জেডআর/এইচএন