নামের মিলে সাজা খাটছেন আরেক নারী, খতিয়ে দেখার নির্দেশ

ঢাকা, সোমবার   ১০ মে ২০২১,   বৈশাখ ২৭ ১৪২৮,   ২৭ রমজান ১৪৪২

নামের মিলে সাজা খাটছেন আরেক নারী, খতিয়ে দেখার নির্দেশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৬:৩১ ৩ মে ২০২১   আপডেট: ০৬:৩২ ৩ মে ২০২১

ইনসেটে কারাভোগকারী হাসিনা বেগম

ইনসেটে কারাভোগকারী হাসিনা বেগম

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা হাসিনা বেগম ও সাজাপ্রাপ্ত হাসিনা আক্তার একই ব্যক্তি কিনা কারাগারের ছবিযুক্ত বালাম খতিয়ে দেখে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

রোববার বিকেলে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁইয়ার ভার্চুয়াল আদালত কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারকে এ নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাসিনা বেগমের আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ।

তিনি জানান, ২০১৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কারাগারে যাওয়া হাসিনা আক্তার ও বর্তমানে কারাগারে থাকা হাসিনা বেগম একই ব্যক্তি কিনা ছবিযুক্ত বালাম দেখে তা শনাক্ত করতে কারাগারের সিনিয়র জেল সুপারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে এ বিষয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এর আগে হাসিনা বেগম এ মামলার প্রকৃত আসামি নয় বলে আদালতে দেয়া প্রতিবেদনে জানায় টেকনাফ থানা পুলিশ।

নগরীর কর্ণফুলী থানার একটি মাদক মামলায় ২০১৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে কারাগারে যান হাসিনা আক্তার। পরে একই বছরের ২৭ নভেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিন নেন তিনি। এরপর ২০১৯ সালের ১ জুলাই ওই মামলায় তাকে ছয় বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অনাদায়ে আরো এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন অতিরিক্ত পঞ্চম মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরীর আদালত। কিন্তু সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতার হয়ে ২০১৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন হাসিনা বেগম।

সম্প্রতি বিষয়টি আদালতের নজরে আনেন আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে রোববার অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ আদালতে শুনানি হয়।

কারাগারে থাকা হাসিনা বেগমের বাড়ি কক্সবাজারের টেকনাফ পৌর সদরের চৌধুরী পাড়ায়। তিনি হামিদ হোছনের স্ত্রী। সাজাপ্রাপ্ত আসামি হাসিনা আক্তার একই এলাকার ইসমাইল হাজীর বাড়ির হামিদ হোসেনের স্ত্রী। দুজনের নামের একাংশ ও স্বামীর নামে মিল থাকলেও অমিল রয়েছে বাবা-মায়ের নামে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এমআর