‘ভাল গল্পের অল্প কাজ করতে চাই: রাশেদ সীমান্ত

ঢাকা, বুধবার   ০৫ অক্টোবর ২০২২,   ২০ আশ্বিন ১৪২৯,   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

Beximco LPG Gas

‘ভাল গল্পের অল্প কাজ করতে চাই: রাশেদ সীমান্ত

তানভীর আহমেদ সরকার ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০৫ ২৫ এপ্রিল ২০২২  

রাশেদ সীমান্ত

রাশেদ সীমান্ত

ছোট পর্দার অভিনেতা রাশেদ সীমান্ত। সাবলীল অভিনয় দিয়ে অনেকের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। অভিনয় ব্যস্ততা ও অন্যান্য প্রসঙ্গে ডেইলি বাংলাদেশ-এর সঙ্গ কথা হয় এই অভিনেতার সঙ্গে।

প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়নোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
প্রথম যখন ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমার চোখের সামনে অনেকগুলো মুখ ভাসছিল। যে মুখগুলো আমার ওপর সব সময় ভরশা, আস্থা রেখেছেন তাদের কথা ভেবেই শট দিয়েছিলাম। শট দেয়ার পর কাট শুনি নাই, শুনেছি তালি। আমার পরিচালক সহশিল্পী সবাই জরিয়ে ধরে বলছিলেন আমি যেন এই গতিটা ধরে রাখি। আমি পারব বলে তাদের বিশ্বাস ছিল। এটা ছিল ২০১৮ সালে আমার করা প্রথম নাটক ‘যেই লাউ সেই কদু’।

অভিনয় আসবেন এমন পরিকল্পনা ছিল?
এখনো পর্যন্তও কোনো পরিকল্পনা নেই। অতীতেও ছিলনা, এখনো নেই (হাসি)। আমি কিন্তু অভিনয় করতে যাইনা, আমি যাই অফিসের অর্ডার পালন করতে। বৈশাখী টেলিভিশনের বাইরে কোনো নাটকে কাজ করিনি। অনেক জায়গা থেকে আমার অভিনয়ের প্রস্তাব আসে কিন্তু বিনয়ের সঙ্গে না বলে দিই। একটা প্রতিষ্ঠানে আমি কর্মরত, এখানে কিছু দায়বদ্ধতার জায়গা আছে। অনেক নাটক করতে চাই না। ভাল গল্পের অল্প কাজ করতে চাই। যে গল্পে কাজ করে মানুষের হৃদয়ে অনেক দিন থাকা যায়।

ওটিটিতে কাজ করার ইচ্ছা আছে?
আমি বৈশাখী টেলিভিশনে মার্কেটিং এন্ড সেলস ডিপার্টমেন্টের ইনচার্জ হিসেবে আছি। এখানেই আমার মনোযোগ বেশি। ফ্যামিলি সঙ্গে আরো বেশি সময় কাটাতে চাই। বেশি অভিনয় করলে সেভাবে ফ্যামিলিকে সময় দেয়া যায় না।

ঈদের ব্যস্ততা কেমন?
এই ঈদে আমি তিনটি নাটকে কাজ করেছি। একটি একক নাটক দুটি ৭ পর্বের ধারাবাহিক নাটক।

ক্রিকেটার মোহাম্মদ আশরাফুলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে ক্রিকেটের প্রথম সুপারস্টার হচ্ছেন মোহাম্মদ আশারফুল। তার সঙ্গে খুব এনজয় করো কাজটা করেছি। তার সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুব ভালো লেগেছে। এই কাজটা আমাদের ক্রিকেটপ্রেমীদের খুব ভালো লাগবে বলে আশাকরি।

ঈদ নিয়ে কী পরিকল্পনা আছে?
বরাবরই ঈদে পরিবারের সঙ্গে থাকি। আমার আব্বু-আম্মু নেই। ঈদের দিন আব্বু-আম্মুর কবর জিয়ারত করি। সেদিন আমরা সব ভাইবোন এক সঙ্গে হই। সবচেয়ে বেশি এনজয় করি আমার মেয়ে, ভাগিনা, ভাগ্নি, ভাতিজা, ভাতিজি ওদের সঙ্গে থাকতে।

ছোটবেলার ঈদ কেমন ছিল?
ছোটবেলায় খুব দুষ্ট ছিলাম। এতটাই দুষ্ট ছিলাম যে দুষ্টামি করতে গিয়ে আমার সামনের দাঁত ভেঙ্গে গেছে। ঈদের দিনটা খুব আনন্দে কাটাতাম। ঈদের দিনে আমর ৮,১০ জন মিলে ফকিরের মতো সেজে এলাকার মুরবীদের কাছে গিয়ে টাকা চাইতাম। তারা একদমই চিনতে পারত না। অনেক টাকার বিনিময়েও যদি ছোটবেলা কেনা যেত, তাহলে ছোটবেলা কিনে ফেলতাম।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস

English HighlightsREAD MORE »