ইউটিউবারদের আধিপত্যের দায় প্রযোজক এবং টিভি চ্যানেলের: আশফাক নিপুন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ২৪ জুন ২০২১,   আষাঢ় ১০ ১৪২৮,   ১২ জ্বিলকদ ১৪৪২

ইউটিউবারদের আধিপত্যের দায় প্রযোজক এবং টিভি চ্যানেলের: আশফাক নিপুন

ইসমাইল উদ্দীন সাকিব ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৫ ৩০ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ১১:৫১ ২৩ মে ২০২১

আশফাক নিপুণ

আশফাক নিপুণ

দ্বন্ধ সমাস, ফেরার পথ নেই, সোনালী ডানার চিল ও এই শহরে। গত তিন বছরে আমাদের নাট্যঙ্গনে অন্যতম আলোচিত নাম। এই সময়গুলোতে নাট্যঙ্গন যেমন অস্থির সময়ে কেটেছে তেমনি বেশ সংখ্যক নাটক দর্শকদের তৃপ্তি দিয়েছে। তবে সেই কাজগুলোর ভিড়ে এই চারটি নির্মাণই স্বাতন্ত্র্যভাবে স্থান করে নিয়েছে। এই নির্মাণগুলোতে ফুটে এসেছে সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্ররূপ।

প্রশ্নফাঁস, গুম, গুজব থেকে ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা- এই সমস্যাগুলো আমাদের জীবন যাত্রায় অস্থিতিশীল করে দিয়েছিল, আর এই সমস্যাগুলোই সেলুলয়েডের পর্দায় তুলে ধরেছেন এক নির্মাতা। চারটিরই নির্মাতা একজন, যে রাঘব বোয়ালদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এই সাহসী নির্মাণ করেছেন। দর্শকরা মুগ্ধ হয়ে এই নাটকগুলো গ্রহণ করেছেন, খেতাব দিয়েছেন সময়ের সেরা সাহসী নির্মাতা। তিনি এই মুহূর্তে বাংলা নাটকের সবচেয়ে আলোচিত, প্রশংসিত নির্মাতা আশফাক নিপুণ।

সম্প্রতি তার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন ডেইলি বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধি ইসমাইল উদ্দীন সাকিব। সেই সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় পর্ব আজ পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

অনেকেই আপনার এবং অন্যান্য তরুণ নির্মাতাদের হাত ধরে দেশীয় ইন্ডাস্ট্রিতে পরিবর্তনের কথা বলছেন। ইদানিং অনেক ভালো ভালো কাজ হচ্ছে। কেউ কেউ পালাবদলের স্বপ্ন দেখছেন, এই বিষয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কি?
আশফাক নিপুণ:
শুধু নির্মাতাদের কথা বললে হবে না। এই ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক প্রতিভাবান স্ক্রিপ্ট লেখক আছে, অভিনেতা অভিনেত্রী আছে, প্রযোজক আছে। কারণ একটা প্রজন্ম তো আর প্রতিভাহীন হতে পারেনা। প্রতিভাবান লোকজন আছে, যেটা দরকার সেটা হলো এদের সামনে নিয়ে আসা। এটা দর্শকদেরও করতে হয়। একই সময়ে যারা টাকা লগ্নি করে ওদেরকেও করতে হয়। লগ্নিকারকদেরও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হতে হবে। তাদের এটা বুঝতে হবে, কোন ভালো কাজগুলো সামনে নিয়ে আসা দরকার। 

আশফাক নিপুণ

আমাদের ভালো কাজ করার মত প্রচুর প্রতিভা আছে। সমস্যা হলো দর্শকরা হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে ওটায় সংযুক্ত হতে চায় না। যারা প্রযোজক ওরা লগ্নি করতে চায় না। এই ধারা থেকে বের হয়ে, ভারত পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। ওখানে দেখা যাচ্ছে, অফটপিক গল্পে বানানো সিনেমাও এখন মূলধারার সিনেমা হিসেবে গণ্য হচ্ছে। এ ধরণের কাজ করে আয়ুশ্মান খোরানা এখন অনেক বড় তারকা, দুটো জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছে। ওর সিনেমা কোটি কোটি টাকার ব্যবসাও করছে। কারণ ভারতের লগ্নিকারকরা ওটা বুঝেই বিনিয়োগ করে। 

ভারতের ওটিটি কন্টেন্টগুলোতে কোন সুপারস্টারদের দেখা যায়না। স্যাকরেড গেমস এ কোন শাহরুখ খান, সালমান খাত, হত্বিক রোশান, সাইফ আলী খান নাই। নওয়াজ উদ্দিন সিদ্দীকিকে নিয়ে ওরা স্যাকরেড গেমস বানিয়েছে এবং সেটি জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

তাহলে আমাদের দেশে কেন এমনটা হচ্ছে না?আমরা কেন এখনো তারকা নির্ভর কাজ করছি?
আশফাক নিপুণ:
এটা আমি শুরুতেই বলেছি, প্রধান দ্বায়িত্ব হলো প্রযোজকদের। তার চিন্তা করতে হবে- আমি নতুনদের নিয়ে, প্রতিভাবানদের নিয়ে কাজ করব। নতুনদের নিয়ে যদি কেউ কাজ করতে চায়, তাদের উৎসাহ দেব। সেখানে বিনিয়োগ করবো। এগুলোকে ঠিকভাবে প্রমোট করব যাতে দর্শকও আগ্রহী হয়।

আমাদের দেশেই কিন্তু একসময় ‘নতুন কুঁড়ি’ থেকে নতুন নতুন প্রতিভা উঠে এসেছে। আমাদের এখানেই ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ এর মাধ্যমে কণ্ঠশিল্পী উঠে এসেছে। এরা সবাইই কি একসময় নতুন ছিলোনা? অর্থাৎ, প্ল্যাটফর্মকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের এখানে সমস্যা হলো আমাদের প্রযোজকদের চিন্তাভাবনা সুদূরপ্রসারী না। এরাই ঝুকি নিতে চায় না। 

নির্মাতাদের বলে দেয়া হয় আপনি যদি এভাবে করতে পারেন তাহলে বিনিয়োগ হবে। ফলে দেখা যাবে মেধা অন্বেষণ হচ্ছে না। সবাই একই জিনিস নিয়ে ব্যস্ত। অনেকে তারকা অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দোষ দিতে চান। বলেন সারাক্ষণ একই মুখ, সবজায়গায় একই ব্যক্তি দেখি। এটা তাদের দোষ না, তারাও মাসে ত্রিশদিন কাজ করতে চান না। কিন্তু কিছু করার নেই, সিস্টেমটা এমন হয়ে গিয়েছে, এই কয়েকজন ছাড়া কারো কাজে প্রজোযকরাও লগ্নি করতে চায় না, দর্শকরাও দেখতে চায় না। 

কিছুদিন আগে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ‘তাকদীর’ সাড়া ফেললো। এটায় ‘মন্টু’ চরিত্রে অভিনয় করে সোহেল রানা উঠে এসেছেন। কিন্তু এরকম মন্টুর মত চরিত্র কেন গত পাঁচবছরে আমাদের টেলিভিশন থেকে উঠে আসেনি? কেন আমাদের স্থানীয় প্ল্যাটফর্মে উঠে আসেনি? যেটা নিয়ে আজ পুরো বাংলাদেশ কথা বলছে। চরিত্রের নামে মানুষ ওকে চিনছে, ওর আসল নাম যে সোহেল রানা এটা মানুষ ভুলে গিয়েছে। এধরণের চরিত্র কি গত পাঁচ বছরে লেখা হয়েছে?

আশফাক নিপুণ

হইচই কিন্তু এ ঝুঁকিটা নিতে পেরেছে। ও থিয়েটার করে দীর্ঘদিন ধরে, পেশাদার সম্পাদনাকারী। হইচই যদি নিতে পারে, আমাদের প্রযোজকরা কেন এ ঝুকি নিতে পারেনা? আজকে মন্টু যেহেতু উঠে আসছে, হইচই এবং এরকম আরো অনেক জায়গা থেকে বলা হচ্ছে তোমাদের মন্টুর মতো এধরণের যত প্রতিভা আছে ওদের তুলে আনো। এটা কেন এদেশীয় প্রযোজকরা করছে না?

গত পাঁচবছরে যত নতুন মুখ ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছে, সিংহভাগই কিন্তু ইউটিউব থেকে। বর্তমানে যারা কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন, প্রায় সবার ক্ষেত্রেই একথা প্রযোজ্য। এ কারণেই কি মন্টুর মত যাদের দীর্ঘদিন থিয়েটারের অভিজ্ঞতা রয়েছে, তারা পিছিয়ে পড়ছে?
আশফাক নিপুণ:
আমি তো শুরু থেকেই বলছি, দোষটা আসলে কার? ইউটিউবাররা কিন্তু নিজেদের জন্যই সাধারণত ভিডিওগুলো করতো। কিন্তু রাতারাতি হিট হওয়ার জন্যে বা প্রডাকশন হিট করানোর জন্যে প্রডিউসাররা বলা শুরু করলো, টেলিভিশনগুলো বলা শুরু করলো- ওর ফ্যান ফলোয়ার অনেক বেশি, ওকে নাও। ও যদি এ নাটকটি নিয়ে পোস্ট দেয়, তাহলে অনেক মানুষ দেখবে। আমি দোষ বলবো না, তবে দায়িত্বটা মূলত নির্মাতা ও প্রযোজকদের। ইউটিউবারদের নয়।

ধরুন আমি বাসায় বসে ইউটিউবে ভিডিও বানাই, আমার প্রচুর দর্শক রয়েছে। এখন কাল যদি আমার কাছে পাঁচজন সময় চায়, আমি তো সেটা দেবোই। আমি যদি আস্তে আস্তে আমার চাহিদা বাড়াতে পারি, তাহলে সেটাও করবো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মন্টুর মত চরিত্র গুলোকে আমাদের প্রযোজকরাই  কখনো খুঁজে বের করার চেষ্টা করেনি, নির্মাতারাই খুঁজে বের করার চেষ্টা করেনি। প্রযোজক কখনো বলেইনি, মন্টুর মত চরিত্রে যে অভিনয় করতে পারবে তাকে নাও, ইউটিউবারের চরিত্রের জায়গায় ইউটিউবারকে নাও, ওখানে তো থিয়েটার থেকে নেয়ার দরকার নেই। আমাদের এখানে গল্পের প্রয়োজনে যে ধরণের চরিত্রের দরকার, সেটা তুলে আনার ব্যাপারে প্রযোজকরা কখনো সেভাবে কাজ করেনি। তারা সবসময় বলে এসেছে তাদের সর্বদা তারকা লাগবে। ঘরের কোণায় যে ফার্নিচারটা পরে থাকবে, ওটাও তারকা লাগবে। এভাবে করলে তো নতুন নতুন শিল্পী উঠে আসবে না। যেটা হইচই করে দেখিয়েছে। তারা চঞ্চল চৌধুরীর চরিত্রটি বাদে বাকিগুলোর জন্য নির্মাতাকে পুরোপুরি স্বাধীনতা দিয়েছে। যার ফলে আজকে আমরা মন্টুকে পেয়েছি। 

এই যে হইচই এর দূরদৃষ্টি আছে, আমাদের দেশের টেলিভিশনের এই দূরদৃষ্টি নেই। এজন্যই আমাদের দেশের টেলিভিশন কেউ দেখেনা। টেলিভিশনের নাটকগুলো এখন ইউটিউবে বিক্রি করতে হয়। দেখা যায় টেলিভিশনের জন্য একটা নাটক তৈরী করলো, এরপর তা সিএমবি বা অন্য ইউটিউব চ্যানেলগুলোতে বিক্রি করে দিল। ওখান থেকে আয় করার চিন্তা করছে, বলছে তারা ক্ষতির মধ্যে রয়েছে।

ক্ষতিতে থাকবেনা কেন? টেলিভিশনের দায়িত্ব হচ্ছে তারকা তৈরী করা, প্রতিভা খুজে বের করা। কিন্তু টেলিভিশনই এখন নির্মাতাদের বলে দিচ্ছে -তুমি অমুক ফ্যান ফলোয়ার সমৃদ্ধকে নাও, অমুক ইউটিউব তারকাকে নাও। সে একটু আমার নাটকের প্রমোশন করে দিবে। আপনি একটা চ্যানেল নিয়ে বসে আছেন, আপনার চ্যানেলের টকশোতে বড় বড় এমপিগণ আসলে কথা বলতে ভয় পায়, আর সেই আপনি নির্ভর করছেন এক ইউটিউবারের ওপর! এক ফেসবুক তারকার ওপর! তাহলে কিভাবে ভালো চরিত্র তৈরী হবে? 

আশফাক নিপুণ

আসলে যারা বিনিয়োগ করছে, তাদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা করতে হবে। তাকে ভাবতে হবে কিভাবে সে নতুন মুখ আনবে, কিভাবে নতুন কন্টেন্ট তৈরী করবে বা কিভাবে সে একটা পরিবর্তন আনতে পারে। সবাই যে গদবাধা প্রযোজনা করে, সেটা থেকে বেরিয়ে আসার চিন্তা থাকা দরকার। অর্থাৎ একটু অন্যরকম হতে হবে। এটা যদি হয়, তাহলে দর্শকদের যা দেয়া হবে তাই গ্রহণ করবে। যখন রূচিশীল কিছু দিবেন, রূচিশীল গ্রহন করবে; যদি রূচিহীন কিছু দেন সে রূচিহীনটাই নেবে। দর্শক তো গ্রাহক, আমি তার ওপর দোষ চাপিয়ে দিতে পারিনা। দায়িত্ব তার অবশ্যই রয়েছে, কিন্ত দোষ চাপিয়ে দিতে পারবো না। দোষ হচ্ছে আমাদের দিকে, আমরা ওদের কি দিতে পারছি। আমরা মন্টুর মত চরিত্র বের করে আনতে পারছি কিনা, আমরা তাকদীরের স্ক্রিপ্ট লেখকের মত কাউকে বের করে আনতে পারছি কিনা। কারণ তাকদীরের স্ক্রিপ্ট তো মাসুম শাহরিয়ার নামের একজন নতুন লেখকের লেখা। খুজলে দেখা যাবে এমন হাজারো নতুন প্রতিভাবান স্ক্রিপ্ট লেখক আছেন, কিন্তু প্রযোজকরা তো তাদের নিয়ে ঝুকি নিতে রাজি না। 

অর্থাৎ এই যে আপনি বললেন সব জায়গায় ইউটিউবারদের আধিপত্য কেন, এর দায় পুরোটাই হলো প্রযোজক এবং টিভি চ্যানেলের। এরা যখন একজন নির্মাতাকে বলে, আপনি কাজের জন্য পুরোপুরি খাপ খেয়ে যায় এমন একটি চরিত্র আনতে পারেন, তাহলে আমরা আপনার সঙ্গে আছি; তখন দেখা যাবে কয়েকদিনেই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। অর্থাৎ ইউটিউবারদের কোন দোষ নেই, তাকে বলা হয়েছে কাজটা করে দিলে তাকে ভালো অঙ্কের টাকা দেয়া হবে। এটা আমাকে আপনাকে বললে আমরা সবাই করবো।

সামনে আপনার কি কাজ আসছে?
আশফাক নিপুণ:
আমি আরো একটি শুটিং শেষ করে ফেলেছি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য। এটা প্রায় নব্বই মিনিটের একটি কাজ। দেশীয় একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য। খুব সম্ভবত এটি ফেব্রুয়ারিতে আসবে। শুটিং শেষ, পোস্ট প্রোডাকশন এর কাজ চলছে। ওটা নিয়ে এখনই আগেভাগে বলতে চাইনা, যখন বলব ঘোষণা দিয়েই বলব।

গতবছর বলেছিলেন সামনে সিনেমায় হাত দিবেন? ওটার পরিকল্পনা কি?
আশফাক নিপুণ:
গতবছরের শেষ দিকেই সিনেমায় নামার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু করেনার প্রভাবে পরিকল্পনা পিছিয়ে আনতে হয়েছে। এ বছরই সিনেমার কাজে নামবো। করোনা তো এখন নতুন বাস্তবতা। হয়ত কোন একসময় পৃথিবীর ইতিহাসে লেখা হবে, করোনার আগের বিশ্ব এবং করোনার পরের বিশ্ব। 
করোনার আগে যেভাবে আমাদের শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল যে সারাদেশ ঘুরে শুটিং করবো, সেটা করতে গেলে এখন অনেক নিয়ম মানতে হবে। আগে কারো বাসায় যদি দৃশ্যধারণে যেতাম, তাহলে কথাবার্তা বলে বাসায় ঢুকে পড়তাম। কিন্তু করোনার পর এখন দূরের লোকেশনে গিয়ে দৃশ্যধারণ করা, এটা আর আগের মত নেই। 

আশফাক নিপুণ

আগে হয়ত আমরা গেরিলা স্টাইলে দৃশ্যধারণ করে চলে আসতাম, কিন্তু এখন সেটা করতে গেলে পোষাবে না। করোনার কারণে হয়ত খরচও বেড়ে যাবে অনেক বেশি। আগে একটি মাইক্রোবাসে পনেরোজন যেতে পারতো, করোনার কারণে এখন একটি মাইক্রোবাসে ছয় থেকে সাতজনের বেশি নেয়া যাবেনা। আমি শুধু যাতায়তের উদাহরণ দিলাম, এমন বিভিন্ন কাজেই খরচ বাড়বে। খরচ কমানোর জন্য, অনেক ধরণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে, যার ফলে সিনেমায় আসতে একটু দেরী হচ্ছে। আশা করি এই বছরেই শুরু করবো।

সিনেমার পান্ডুলিপি কি তাহলে তৈরী হয়ে গিয়েছে?
আশফাক নিপুণ:
পান্ডুলিপি গত বছরই তৈরী হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু এখন এটাকেই করোনা পরবর্তী খরচের কারণে একটু এদিক ওদিক করতে হচ্ছে। কারণ ওই পান্ডুলিপি অনুযায়ী যদি আমি বর্তমানে শুটিং করতে যাই, আমার খরচ প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাবে।

ধন্যবাদ আপনাকে সময় দেয়ার জন্য।
আশফাক নিপুণ:
আপনাকেও ধন্যবাদ।

ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস