করোনার নতুন ধরনের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা জানতে অপেক্ষায় ফাইজার, মডার্না

ঢাকা, শুক্রবার   ২১ জানুয়ারি ২০২২,   ৮ মাঘ ১৪২৮,   ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

করোনার নতুন ধরনের বিরুদ্ধে টিকার কার্যকারিতা জানতে অপেক্ষায় ফাইজার, মডার্না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ২১:০০ ২৭ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ২১:০১ ২৭ নভেম্বর ২০২১

ছবি: ফাইজার ও মডার্নার ভ্যাকসিন

ছবি: ফাইজার ও মডার্নার ভ্যাকসিন

দক্ষিণ আফ্রিকায় সম্প্রতি শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন (ভ্যারিয়েন্ট) ‘ওমিক্রন’। নতুন এই ধরনটিকে ‘অতি সংক্রামক’ ও ‘উদ্বেগজনক’ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। ওমিক্রন নিয়ে এরইমধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা বিশ্বে। প্রশ্ন উঠেছে নতুন এই ধরনটির বিরুদ্ধে বর্তমানে প্রচলিত ভ্যাকসিন সমূহ কতটা কার্যকর তা নিয়েও।

এ অবস্থায় জার্মান জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি বায়োএনটেক জানিয়েছে, ফাইজারকে সঙ্গে নিয়ে তারা যে কোভিড-১৯ টিকা বানিয়েছে করোনাভাইরাসের নতুন শনাক্ত হওয়া এই ভ্যারিয়েন্ট মোকাবেলায় তাতে কোনো পরিবর্তন আনা লাগবে কিনা সে বিষয়ক আরও তথ্য-উপাত্ত দুই সপ্তাহের মধ্যেই পাওয়া যাবে বলে আশা করছে তারা।

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে বিশ্বজুড়ে তুমুল উদ্বেগের মধ্যে শুক্রবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা এ কথা জানায় বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

করোনাভাইরাসের টিকানির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, প্রয়োজন পড়লে আনুমানিক ১০০ দিনের মধ্যে উদ্ভূত ভ্যারিয়েন্টের উপযোগী টিকা বানিয়ে তা সরবরাহ করা যাবে বলেও তারা আশাবাদী।

“বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের বিষয়টি বুঝতে পারছি আমরা, যে কারণে তাৎক্ষণিকভাবে বি.১.১.৫২৯ কে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছি,” ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে কী করছে জানতে চাইলে উত্তরে দেওয়া বিবৃতিতে এমনটাই বলেছে বায়োএনটেক।

“আমরা আশা করছি গবেষণাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে আমরা দুই সপ্তাহের মধ্যে আরও তথ্যউপাত্ত পাবো; তা আমাদের জানাতে পারবে বি.১.১৫২৯ ভ্যারিয়েন্টটি টিকার সুরক্ষাকে পাশ কাটাতে পারে কিনা এবং ভ্যারিয়েন্টটি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে আমাদের টিকায় কোনো পরিবর্তন আনতে হবে কিনা,” বলেছে তারা।

টিকানির্মাতা আরেক প্রতিষ্ঠান মডার্নাও এক বিবৃতিতে বলেছে, তারা নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর একটি বুস্টার ডোজ বানানোর কাজ শুরু করেছে।

তাদের এখন যে বুস্টার আছে তার উচ্চমাত্রার ডোজ এবং অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে বানানো ডোজগুলো (যেগুলো অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে) এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কাজ করবে কিনা তাও পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

“কমতে থাকা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এখন একমাত্র কৌশল হচ্ছে অনুমোদিত ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ,” বিবৃতিতে বলেছে মডার্না।

ফাইজার ও বায়োএনটেক এরই মধ্যে আলফা ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপযোগী করে তাদের টিকার সংস্করণ বানিয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স। ওই সংস্করণগুলোর ক্লিনিকাল ট্রায়াল চলছে।

জনসন অ্যান্ড জনসন জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত কোভিড-১৯ এর নতুন ধরনটিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে; ধরনটির বিরুদ্ধে তাদের টিকার কার্যকারিতাও খতিয়ে দেখছে তারা।

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী

English HighlightsREAD MORE »