স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়াতে চান, পাতে রাখুন কিছু জাদুকরী খাবার 

ঢাকা, মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৮,   ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন বাড়াতে চান, পাতে রাখুন কিছু জাদুকরী খাবার 

লাইফস্টাইল ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৬:১৪ ২৬ নভেম্বর ২০২১  

ওজন বাড়াতে করণীয়। ছবি: সংগৃহীত

ওজন বাড়াতে করণীয়। ছবি: সংগৃহীত

ওজন কমানোর প্রতিযোগীদের সংখ্যা যেমন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঠিক তেমনি একদম নেমেছেন ওজন বাড়ানোর প্রতিযোগিতায়। কারণ অতিরিক্ত ওজন যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তেমনি কম ওজনও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো ফলাফল বয়ে আনে না। 

এক্ষেত্রে কয়েকটি খাবার রয়েছে, যেগুলো খেলে ওজন সহজেই বাড়বে। স্বাস্থ্যকর উপায়ে ও সহজে মোটা হতে চাইলে খেতে পারেন এসব খাবার। চলুন তবে সে খাবারগুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক- 

বাদাম

যাদের ওজন অতিরিক্ত কম, তাঁরা ওজন বাড়াতে রোজ বাদাম খেতে পারেন। স্বাস্থ্যকর নাশতার মধ্যে বাদাম অন্যতম।

ডিম

প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ উৎস ডিম। এতে আরও রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ। আর এই পুষ্টিগুণের বেশির ভাগই থাকে কুসুমের মধ্যে।

পনির

পনিরে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ক্যালরি। যারা মোটা হওয়ার চেষ্টা করছেন, তাঁদের উচিত ফুলফ্যাট পনির খাওয়া।

দই

ফুলফ্যাট দইয়ে থাকে প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। বিকেলের স্ন্যাক্স বা সকাল ও দুপুরের মধ্যকার নাশতা হিসেবে দই ও কলা খাওয়া যেতে পারে।

লাল মাংস

পেশি গঠনে এবং ওজন বাড়াতে লাল মাংস রাখা যেতে পারে খাদ্যতালিকায়। লাল মাংসে রয়েছে প্রোটিন ও চর্বি, যা ওজন বাড়াতে সহায়তা করে।

দুধ

দুধে রয়েছে স্বাস্থ্যকর চর্বি, শর্করা ও প্রোটিন। এ ছাড়া এতে রয়েছে ভিটামিন, খনিজ ও ক্যালসিয়াম। দুধে যে প্রোটিন থাকে, তা পেশি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ডার্ক চকলেট

ডার্ক চকলেটে রয়েছে চর্বি, উচ্চ ক্যালরি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যারা ওজন বাড়ানো নিয়ে ভাবছেন, তাঁরা ডার্ক চকলেট কেনার সময় ৭০ শতাংশ কোকো রয়েছে—এমন ডার্ক চকলেট কিনুন।

কলা

ওজন বাড়াতে সহায়ক ফলগুলোর মধ্যে কলা অন্যতম। এতে রয়েছে শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন বি৬, ম্যাংগানিজ ও ক্যালরি। ওজন বাড়ানোর জন্য ফল হিসেবে খাওয়া ছাড়াও দই, স্মুদি, কেক বানাতে কলা ব্যবহার করতে পারেন।

খেজুর

খেজুরে রয়েছে ক্যালরি, প্রোটিন, চর্বি, শর্করা, আঁশ, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম। এছাড়া খেজুর কপার, ম্যাংগানিজ, আয়রন ও ভিটামিন বি৬। শরীরে শক্তি জোগাতে ও সুস্বাস্থ্য ধরে রাখতে রোজ খেজুর খেতে পারেন।

অন্যান্য খাবার

পুডিং, পনির, হাই প্রোটিন ফুড, স্বাস্থ্যকর চর্বি গ্রহণ করা যেতে পারে। বয়স ৪০ বছরের নিচে হলে এই খাবারগুলো তালিকায় যোগ করা যেতে পারে। বয়স ৪০ বছরের ওপরে হলে শারীরিক অবস্থা বুঝে ও ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।

কার্যকরী আরো উপায়

মোটা হওয়ার জন্য কেবল খাবারই নয়, আরো কয়েকটি বিষয় মেনে চলতে হবে। সেগুলো হচ্ছে-পর্যাপ্ত ঘুম, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট, সম্পূরক খাদ্য (যদি প্রয়োজন হয়)।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ