ঐতিহাসিক মসজিদে সাড়ে চারশ বছর আগের পবিত্র কোরআন

ঢাকা, মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৮,   ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

ঐতিহাসিক মসজিদে সাড়ে চারশ বছর আগের পবিত্র কোরআন

ফিচার ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:০২ ২৬ নভেম্বর ২০২১  

ঐতিহাসিক মসজিদে সাড়ে চারশ বছর আগের পবিত্র কোরআন। ছবি সংগৃহীত

ঐতিহাসিক মসজিদে সাড়ে চারশ বছর আগের পবিত্র কোরআন। ছবি সংগৃহীত

সাড়ে চারশ বছর আগের পবিত্র কোরআন পাওয়া গেলো ঐতিহাসিক মসজিদে। তুরস্কের কোনিয়া প্রদেশের কারাপিনার জেলার ঐতিহাসিক সুলতান সেলিম মসজিদে পাওয়া গেছে এই পবিত্র কোরআন।  

বিভিন্ন তথ্যের বরাতে বলা হয়েছে যে, ওসমানি সুলতান দ্বিতীয় সেলিমের নির্মিত এই মসজিদের সংরক্ষণাগার থেকে হাতে লেখা মোট ১০ খণ্ড কোরআনের কপি পাওয়া গিয়েছে। কারাপিনার জেলার মুফতি ইউনুস আয়দিন বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, এই পবিত্র কোরআনগুলো পেয়ে তারা অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি জানান, মসজিদে হাতে লেখা কোরআনের এই পাণ্ডুলিপিগুলোর খবর কেউই জানতো না ও দীর্ঘদিন তা মসজিদের সংরক্ষণাগারেই পড়ে ছিলো।

মসজিদে হাতে লেখা কোরআনের এই পাণ্ডুলিপিগুলোর খবর কেউই জানতো না ও দীর্ঘদিন তা মসজিদের সংরক্ষণাগারেই পড়ে ছিলোইউনুস আয়দিন বলেন, আমরা মাত্রই তা পেলাম। এটি বর্তমান সময় পর্যন্ত অজানা ছিলো। আমরা সম্পূর্ণ কোরআনের খণ্ডগুলো পাইনি। তিনি বলেন, আমরা হাতে লেখা কোরআনের কপিটি পরীক্ষা করে দেখেছি, এতে ওসমানি সুলতান দ্বিতীয় সেলিম ও কারানপুরের নাম উল্লেখ আছে। এই সম্পর্কে আমরা আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মুস্তফা আশকারের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তিনি যখন বলেন, এই দলিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আমরা মসজিদে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করি।

৪৫০ বছর আগের হাতে লেখা কোরআন দেখছেন কারাপিনার মুফতি ইউনুস আয়দিন ও ঐতিহাসিক সুলতান সেলিম মসজিদেকারাপিনারের মুফতি বলেন, 'সুলতান সেলিম খান শাহজাদা থাকা অবস্থায় কোনিয়ায় অবস্থানকালে, কারাপিনারে বিভিন্ন কাজ করেন। কারাপিনারের জন্য তিনি সুন্দর ও সুচারুভাবে লিখিত ৩০ খণ্ডের কোরআনের মাসহাফ উপহার দিয়েছিলেন। তবে আমাদের কাছে এর ১০ খণ্ড রয়েছে।'কোরআনের খণ্ডগুলোর ভেতরে কারাপিনার শহরকে এই মাসহাফ উপহার দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সুলতান দ্বিতীয় সেলিম শাহজাদা থাকা অবস্থায় তার বাবা সুলতান সুলাইমানের শাসনামলে ১৫৬৩ সালে এই মসজিদ নির্মাণ করেনকারাপিনার জেলার গভর্নর ওউজ জেম মুরাদ বলেন, এই ঘটনায় আমরা সবাই উচ্ছসিত। মুফতি সাহেব ও আমাদের সহকর্মীদের উদ্যোগে মসজিদের সংরক্ষণাগার থেকে আমরা মহামূল্যবান এই সম্পদ পেয়েছি। সুলতান দ্বিতীয় সেলিম শাহজাদা থাকা অবস্থায় তার বাবা সুলতান সুলাইমানের শাসনামলে ১৫৬৩ সালে এই মসজিদ নির্মাণ করেন।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

ডেইলি বাংলাদেশ/এসএ