গুজব ছড়ানোয় জাফরুল্লাহকে একহাত নিলো বিএনপি

ঢাকা, রোববার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২১ ১৪২৮,   ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

গুজব ছড়ানোয় জাফরুল্লাহকে একহাত নিলো বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১১:২১ ২৬ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ২০:১৪ ২৬ নভেম্বর ২০২১

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী- ফাইল ফটো

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী- ফাইল ফটো

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নানা গুজব ছড়ায় একটি চক্র। খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়েছে বলেও প্রচার চালায় চক্রটি। তবে রাত পার হলে জানা যায় খালেদা জিয়া এখনো জীবিত। আর খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার গুজব প্রচারে যোগ দেওয়ায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর একহাত নিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

মৃত্যুর গুজবের পরদিন বুধবার সকালে খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতার বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুখ দিয়ে রক্তপাত হচ্ছে। পায়ুপথ দিয়ে রক্তপাত হয়েছে, ব্লাড প্রেসার ভয়ানকভাবে ফল করেছে। আমি যখন গিয়েছি- দেখলাম কালকেও উনাকে রক্ত দেওয়া হচ্ছিল। রক্ত দিয়ে তাকে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে।’ 

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেক বিএনপির সিনিয়র নেতা।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এক সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল বলেন, গতকালকে আপনাদের বলছি, এর (খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ও মৃত্যু) কোনো ভিত্তি নেই। এখনো কিছু গুজব ছড়ানো হচ্ছে। আমার মনে হয় যে, অসৎ উদ্দেশ্যে এটা (খালেদা জিয়ার মৃত্যুর গুজব) অত্যন্ত কৌশলে ছড়ানো হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির সিনিয়র এক নেতা বলেন, সকালে দেখলাম ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) স্বাস্থ্য নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিলেন। তার মতো একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ এভাবে গুজব ছড়াবেন বিশ্বাস করতে পারছি না। আমি প্রতি মুহূর্তে ম্যাডামের খবর রাখছি। চিকিৎসকরা সর্বশেষ অবস্থা আমাকে জানাচ্ছেন। কিন্তু জাফরুল্লাহ সাহেবের কথা শুনে মনে হয়, মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশি।

তিনি আরো বলেন, এখনো তার (খালেদা জিয়া) শারীরিক অবস্থা আগের মতোই। স্টিল ভেরি ক্রিটিক্যাল। চিকিৎসকরা মনিটর করছেন। তাকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকদের পক্ষে সম্ভব  সর্বাত্মক প্রচেষ্টা তারা চালাচ্ছেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএএম/এমকেএ/আরএইচ