মেন্দি মালেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, গ্রেফতার দাবি

ঢাকা, শনিবার   ২৭ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৩ ১৪২৮,   ২০ রবিউস সানি ১৪৪৩

মেন্দি মালেকের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ, গ্রেফতার দাবি

ভোলা প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:০১ ২৪ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৮:০২ ২৪ নভেম্বর ২০২১

মেন্দি মালেক ফাইল ছবি

মেন্দি মালেক ফাইল ছবি

ভোলার শহরতলির কাচিয়া মেঘনা পাড়ের ত্রাস আব্দুল মালেকের ( মেন্দি মালেক) চাঁদাবাজির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কাচিয়া ইউনিয়নবাসী। 

সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়নবাসীর পক্ষে ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক জহুরুল ইসলাম নকিব লিখিত বক্তব্য রাখেন। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাজাহান মাস্টার, ইউপি মেম্বার আব্দুর রব, মনিরুল ইসলাম মনির, নারী মেম্বার বিবি ফাতেমার স্বামী  সিরাজুল ইসলাম মালসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মালেকের বিরুদ্ধে হামলা ও চাঁদাবাজি মামলা রয়েছে বলে ভোলা থানার ওসি এনায়েত হোসেন জানান। 

ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম নকিব জানান, এর আগে আব্দুল মালেককে তিনবার মসজিদে নিয়ে ভালো হওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করা হয়। প্রতিবারেই ভালো হওয়ার অঙ্গীকার করলেও এক দেড়মাস পর পুনরায় অপকর্ম শুরু করে। পরাণগঞ্জের কাঠিরমাথা এলাকার এই মেন্দি মালেক তার বাহিনী দিয়ে গ্রামের রাস্তায় চলাচলকারী অটোরিকশা থেকে ২০ টাকা, মালবাহী  ছোট ট্রলি থেকে ২০০ টাকা, বালিবাহী ট্রলি থেকে ৫০০ টাকা চাঁদা নিয়ে থাকেন। নদীভাঙনের শিকার অসহায় মানুষরা নদী পাড়ে ঘর তুলতে গেলে মালেক বাহিনীকে চাঁদা দিতে হয়। এমন কি অসহায় পরিবারগুলো তার অত্যাচার থেকে রক্ষায় ইউপিতে অভিযোগ করেন।

গত ১৭ নভেম্বর একটি ট্রলি থেকে চাঁদা তোলাকে কেন্দ্র করে বাক-বিতণ্ডার এক পর্যায়ে স্থানীয় কয়েকশ মানুষ মেন্দি মালেককে ঘিরে রাখেন। গণরোষ থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার ভান করে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। 

অপরদিকে মালেকের বিরুদ্ধে মামলা করায় মালেকের ছেলে কামরুল ও ভাই বাবুলের নেতৃত্বে মনির মেম্বারের মাছ ঘাটে হামলা করে। এ সময় কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এলাকার কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করে। এরা পালিয়ে থেকেও চোরাগুপ্ত হামলা করছে। এই সন্ত্রাসী বাহিনী গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকার মানুষের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। 

এলাকার শাহাজন মাস্টার জানান, ওই এলাকা ছিল শান্তিপূর্ণ এলাকা। এই মেন্দি মালেকের কারণে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারছে না। 

মালেকের ভাই জানান, তার ভাইয়ের কোনো দোষ নেই। তিনি অবৈধভাবে যারা বালু পরিবহন করে এমন কিছু ট্রলি চলাচলে বাধা দেন। এ কারণে এলাকার মনির মেম্বারের লোকজন তার পরিবারের ওপর হামলা করে। 

ভোলা থানার ওসি জানান, মালেক ও তার বাহিনীকে গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে