বাসায় বোমা সদৃশ বস্তু রেখে লাখ টাকা চাঁদা দাবি

ঢাকা, রোববার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ২১ ১৪২৮,   ২৮ রবিউস সানি ১৪৪৩

বাসায় বোমা সদৃশ বস্তু রেখে লাখ টাকা চাঁদা দাবি

ঘাটাইল ও টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫১ ২৪ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৯:০৬ ২৪ নভেম্বর ২০২১

বাসায় বোমা সদৃশ বস্তু রেখে লাখ টাকা চাঁদা দাবি ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

বাসায় বোমা সদৃশ বস্তু রেখে লাখ টাকা চাঁদা দাবি ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে একটি বাসায় বোমা সদৃশ বস্তু রেখে চিঠি দিয়ে লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হলে বাসার মালিকের ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়েছে। এমন তথ্য পেয়ে বাড়ির চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ সদস্যরা। 

বুধবার সকালে গোপালপুর পৌরসভার নন্দনপুর বাজার এলাকায় রাজ্জাক মিয়া লিটুর বাসায় বোমা রেখে এই চাঁদা দাবি করা হয়। দুপুরে ঢাকা থেকে বোম ডিসপোসাল টিম রওনা দিয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন গোপালপুর থানার ওসি (তদন্ত) মামুন ভূঁইয়া। 

জানা গেছে, গোপালপুর পৌরসভার নন্দনপুর বাজার এলাকায় আব্দুর রাজ্জাক মিয়া লিটু ভবন নির্মাণ করছেন। তার পাশেই একটি টিনের ঘরে রিপন আহম্মেদ ও ঝর্না বেগম ও তার মা রেহেনা পারভীন বসবাস করেন। 

সকালের দিকে রেহেনা পারভীন নির্মাণাধীন বাসার সামনে গিয়ে রিমোট কন্ট্রোল লাল বোমা সদৃশ বস্তু দেখতে পান। পরে তাদের থাকার ঘরের সামনে দুইটি চিঠি দেখতে পান। 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, তার ছেলে বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। এ কারণে তাকে এক লাখ টাকা চাঁদা ধার্য করা হয়েছে। টাকা না দিলে এবং বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করলে টাইম বোমাটি রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিষ্ফোরণ ও বাসার মালিকের ছেলেকে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়। 

চিঠি

চিঠিতে আরো জানানো হয়, রেখে যাওয়া বোমাটি দুইটি বাস গাড়ি ধ্বংস করার ক্ষমতা রয়েছে। নির্দিষ্ট জায়গা টাকা দিয়ে না আসলে রাত ১২টার পর রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বোমাটি বিষ্ফোরিত করা হবে। 

রেহেনা পারভীনের ভাতিজা আল মাসুদ জানান, সকালের দিকে চাচি রেহেনা পারভীন নির্মাণাধীন ভবনের সামনে গেলে সেখানে লাল কস্টেপযুক্ত বোমা সদৃশ্য বস্তু দেখতে পায়। বিষয়টি পৌর মেয়রকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ এসে বাড়িতে ঘিরে রেখেছে। 

ধারণা করা হচ্ছে, কোনো কিশোর গ্যাং অথবা মাদকসেবীরা এই কাজ করতে পারেন। এই এলাকায় কিশোর গ্যাংদের উৎপাতসহ মাদকসেবীদের দৌরাত্ম বেশি। 

গোপালপুর থানার ওসি (তদন্ত) মামুন ভূঁইয়া বলেন, খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বোমা না অন্য কিছু এই মুহূর্তে কিছুই বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। ঢাকা থেকে বোম ডিসপোসাল টিম আসার পর বোমা সদৃশ বস্তুটি নিয়ে কাজ শুরু করা হবে।    

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে