আখাউড়ায় কোটি টাকার শীতের সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

ঢাকা, মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১,   অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৮,   ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

আখাউড়ায় কোটি টাকার শীতের সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৪:২৫ ২৪ নভেম্বর ২০২১  

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আগাম ও শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আগাম ও শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় আগাম ও শীতকালীন সবজি চাষ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষকরা। অনেকে আগাম সবজি বিক্রি করে আবার ঐ জমিতেই ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাল শাক, টমেটো, শিম, করলা, লাউ, শসাসহ নানা ধরনের শীতের সবজি চাষ শুরু করেছেন। এ বছর এক কোটি টাকার সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।

এরই মধ্যে হাটবাজারে উঠতে শুরু করেছে শীতের শাকসবজি। আগাম ও শীতের শাকসবজি বিক্রি করে দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা খুশি। কিছুদিন আগে বৃষ্টিসহ নানা কারণে সবজিতে যে ক্ষতি হয়েছে এবার তা পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছেন কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি শীত মৌসুমে এ উপজেলায় ৪৯০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ করা হয়েছে। এতে উৎপাদন হবে প্রায় ১২ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন শাকসবজি। যার বাজার মূল্য এক কোটি টাকার বেশি। ফসল উৎপাদনে উপযোগী মাটি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এবার শাকসবজির বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি বিভাগ। এ বছর বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকরা লাভবান হবেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে বলেও আশাবাদী কৃষি বিভাগ।

চলতি মৌসুমে এক কোটি টাকার শীতকালীন সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ

আখাউড়া পৌর শহরের তারাগন, দেবগ্রাম, নারায়ণপুর, উপজেলার কালীনগর, সাতপাড়া, হীরাপুর, বাউতলা, উমেদপুর আজমপুর, চানপুর, বনগজ, কৃষ্ণনগর, খারকোট, মিনারকোটসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাল শাক, টমেটো, শিম, করলা, লাউ, শসাসহ নানা প্রজাতির সবজি সবজি চাষ ও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আগাম ও শীতের সবজি চাষে বদলে গেছে এখানকার শত শত কৃষকের ভাগ্যের চাকা। ফলন ভালো হওয়ায় দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে সবজির আবাদ।

আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, এ উপজেলায় সারা বছর সবজি আবাদ হচ্ছে। ফলন বৃদ্ধিতে সব সময় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কয়েক দফা বৃষ্টিতে কিছুটা ক্ষতি হলেও নিয়মিত পরিচর্যার কারণে সবজির ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়া স্থানীয় বাজারে ভালো দাম থাকায় লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। কম খরচে লাভ বেশি হওয়ায় এ উপজেলায় বাণিজ্যিকভাবে সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়েছে।

ডেইলি বাংলাদেশ/এআর