২০ বার চুরির পর সহযোগীসহ ধরা পড়লো উচ্চ শিক্ষিত চোর!

ঢাকা, শনিবার   ৩১ জুলাই ২০২১,   শ্রাবণ ১৬ ১৪২৮,   ২০ জ্বিলহজ্জ ১৪৪২

২০ বার চুরির পর সহযোগীসহ ধরা পড়লো উচ্চ শিক্ষিত চোর!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৮:৩৯ ২০ জুন ২০২১  

ছবি: সৌমাল্য ও তার দুই সহযোগী

ছবি: সৌমাল্য ও তার দুই সহযোগী

কথায় আছে, উচ্চ শিক্ষিত হলেই সুশিক্ষিত হয়না। সেই কথাকেই ফের প্রমাণ করল ভারতের এক ব্যক্তি। চুরি করাই তার নেশা ও পেশা। মাস্টার্স পাশ হওয়ার পরও চাকরি-ব্যবসায় না ঢুঁকে চৌর্য্যবৃ্ত্তকেই নিজের ধ্যান-জ্ঞান করেছেন তিনি।

তার এমন কুস্বভাবের জন্য অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন তার মা, তারপরও বদলায়নি স্বভাব। সর্বশেষ হাওড়ায় গয়না চুরির ঘটনার সূত্র ধরে ‘উচ্চশিক্ষিত’ এই চোরকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গের সাঁকরাইল থানা পুলিশ। সেই সঙ্গে তার দুই সহযোগীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। উচ্চ শিক্ষিত সেই চোরের নাম সৌমাল্য চৌধুরী।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে দশ লক্ষাধিক টাকার সোনার গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। আসানসোল, হাওড়া ও হুগলি জেলার ২০টি চুরির সঙ্গে জড়িত রয়েছে সৌমাল্য। সে ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর পাশ করেছে। কিন্তু তার নেশাই চুরি করা। তাই তো এটাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে সে। তার বাবা সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন এবং মা ছিলেন স্কুল শিক্ষিকা। ছেলের এমন স্বভাবের জন্য আত্মহত্যা করেন তার মা। তারপরও ঠিক হয়নি সে।

সৌমাল্য গত জুনে হাওড়ার সাঁকরাইল থানার অন্তর্গত দুইলা এলাকায় একটি ফ্ল্যাট থেকে সে দশ ভরি সোনার গয়না চুরি করে। স্কুটিতে করে পালানোর সময় ফ্ল্যাটের এক বাসিন্দা স্কুটির নাম্বার লিখে নেন। আর সেই নাম্বারের সূত্র ধরেই পাশকুঁড়া থেকে গ্রেফতার করা হয় সৌমাল্য ও তার এক সহযোগী প্রকাশ শাসমলকে। এরপর পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর এলাকা থেকে আরও এক অভিযুক্ত মাধব সামন্তকে গ্রেফতার করা হয়।

হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝাকরিয়া জানান, মাধব সামন্তর কাছে চুরির মাল বিক্রি করেছিল তারা। হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় নয়টি চুরির সঙ্গে জড়িত তারা। রোববার হাওড়া আদালতে পেশ করে তাদের হেফাজতে নেয়ার জন্য আবেদন করেছে পুলিশ।

সূত্র: আনন্দবাজার

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী