ইরাকে পোপ ফ্রান্সিসের ঐতিহাসিক সফর

ঢাকা, শনিবার   ১৭ এপ্রিল ২০২১,   বৈশাখ ৪ ১৪২৮,   ০৪ রমজান ১৪৪২

ইরাকে পোপ ফ্রান্সিসের ঐতিহাসিক সফর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ০৫:০৪ ৬ মার্চ ২০২১   আপডেট: ০৫:১০ ৬ মার্চ ২০২১

শুক্রবার ইরানের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমি বাগদাদে বিমান থেকে নামার সময় পোপ ফ্রান্সিসকে স্বাগত জানান। ছবি: ইরা নারদী/ রয়টার্স

শুক্রবার ইরানের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমি বাগদাদে বিমান থেকে নামার সময় পোপ ফ্রান্সিসকে স্বাগত জানান। ছবি: ইরা নারদী/ রয়টার্স

ঐতিহাসিক সফরে ইরাক গেলেন  ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস। দেশটিতে এটিই প্রথম কোনো পোপের সফর। পোপ ফ্রান্সিসেরও এটি প্রথম ইরাক সফর।

চারদিনের সরকারি সফরে শুক্রবার ইরাকের রাজধানী বাগদাদ পৌঁছান তিনি। দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-ইরাকিয়ায় পোপ ফ্রান্সিসের বিমানের অবতরণ দৃশ্য সরাসরি সম্প্রচার করেছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোস্তফা আল-কাদিমি, বিপুল সংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা ও ইরাকের বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের ধর্মীয় নেতারা তাকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে যান।

পোপ তার সফরে ইরাকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে তিনি ইরাকে খ্রিস্টানদের অবস্থার কথা তুলবেন। তিনি নজফে গ্র্যান্ড আয়াতোল্লাহ সিস্তানীর সঙ্গেও দেখা করবেন। সুন্নি ও ইয়াজিদিদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলবেন।

বাগদাদ, মোসুল ও কারাকাস যাওয়ার কথা রয়েছে পোপ ফ্রান্সিসের। তিনি ইরবিলে কুর্দি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দেখা করবেন। সেখানে প্রায় দেড় লাখ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সেন্ট্রাল ইরাক থেকে পালিয়ে এসেছেন।

প্রথমে আল কায়দা ও পরে আইএস ইরাকে খ্রিস্টানদের আক্রমণ করেছে। তার ফলে লাখ লাখ খ্রিস্টান তুরস্ক, লেবানন, জর্ডন এবং উত্তর ইরাকের কুর্দি এলাকায় চলে গেছেন।

কার্ডিনাল লুই রাফায়েল সাকো বলেছেন, আমরা আশা করি, পোপের সফরের ফলে খ্রিস্টানদের ট্র্যাজেডির উপর মানুষের নজর যাবে। সেই সঙ্গে সৌভ্রাতৃত্বের একটি বার্তাও যাবে। ধর্ম তো বিভাজনের জন্য নয়, এক করার জন্য।

সূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ