বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানের ১২ নিরাপত্তারক্ষীকে অপসারন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১,   ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭,   ১৯ রজব ১৪৪২

বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানের ১২ নিরাপত্তারক্ষীকে অপসারন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:১৬ ২০ জানুয়ারি ২০২১   আপডেট: ২০:১৮ ২০ জানুয়ারি ২০২১

ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

চরমপন্থিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অপরাধে নতুন নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের দায়িত্ব থেকে ১২ জন নিরাপত্তারক্ষীকে অপসারন করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তার চাদরে ঘিরে ফেলা হয়েছে ওয়াশিংটন। নিরাপত্তারক্ষীদেরও ছাড় দেয়া হচ্ছে না। প্রত্যেকের অতীত রেকর্ড পরীক্ষা করা হচ্ছে। দেখা হচ্ছে, সাম্প্রতিককালে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক বা অন্য কোথাও তারা কোনো চরমপন্থি মন্তব্য করেছেন কি না। বস্তুত, এই পরীক্ষা করতে গিয়েই ১২ জন নিরাপত্তারক্ষীকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র জানিয়েছেন, ১২ জন ন্যাশনাল সিকিওরিটি গার্ডকে কাজ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রত্যেকেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিলেন। এর মধ্যে একজনের সঙ্গে চরমপন্থি হোয়াইট সুপ্রিমেসিস্টদের যোগাযোগ আছে বলে জানানো হয়েছে। আরেকজন সম্প্রতি চরমপন্থি মন্তব্য করেছেন সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। বাকি দশজনের সঙ্গেও বিভিন্ন ভাবে চরমপন্থিদের সম্পর্ক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সকলকেই ওয়াশিংটন থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেক অনুষ্ঠান হলেও কিন্তু করোনা এবং ক্যাপিটল হিলের সাম্প্রতিক সহিংস ঘটনার কারণে এবার ওয়াশিংটন চত্বরে থাকবে না কোনো ভিড়। তবে এতে অংশ নেবেন নামীদামি কয়েকজন তারকা। জো বাইডেনের শপথ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীত গাইবেন বিখ্যাত পপ শিল্পী লেডি গাগা।

বুধবারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য শুধুমাত্র ওয়াশিংটনে ২৫ হাজার ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। প্রত্যেকের ব্যাকগ্রাউন্ড পরীক্ষা করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের ধারণা, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের মধ্য থেকেই সহিংসতা ছড়াতে পারে। ফলে সামান্য সন্দেহ হলেও নিরাপত্তারক্ষীদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

জো বাইডেন এবং কমলা হ্যারিসের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ঘিরে গোটা দেশেই ট্রাম্পপন্থিরা সহিংস বিক্ষোভ দেখাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। ওয়াশিংটনে এখনো কার্ফিউ জারি রয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে বাড়ি থেকে বেরতে নিষেধ করা হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় কংক্রিটের গার্ড ওয়াল রাখা হয়েছে। ন্যাশনাল গার্ডরা গোটা শহরে ফ্ল্যাগ মার্চ করছে।

এ দিকে মঙ্গলবারই বসেছিল সিনেট। কংগ্রেসে ট্রাম্পের দ্বিতীয়বার অভিশংসনের পর মঙ্গলবারই প্রথম সিনেট বসে। সেখানে ক্যাপিটলে হামলার ঘটনার জন্য রিপাবলিকান সাংসদরাও ট্রাম্পকে দায়ী করেন।

সিনেটের গুরুত্বপূর্ণ সাংসদ মিচ ম্যাককোনেল বক্তৃতায় বলেন, ট্রাম্পের কথা শুনেই উত্তেজিত জনতা ক্যাপিটলে আক্রমণ চালিয়েছিল।

সূত্র: রয়টার্স, ডয়চে ভেলে

ডেইলি বাংলাদেশ/মাহাদী